অসহায় ক্রীড়াবিদদের সহায়তা দিল বিসিবি

আগের সংবাদ

আমফান: পশ্চিমবঙ্গে ঘরভেঙে ও গাছচাপায় নিহত ২

পরের সংবাদ

সমাজসেবার ২০৫ শিশুর জামিন ভার্চুয়াল কোর্টে

ইয়াহইয়া নকিব

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২০, ২০২০ , ৭:৫২ অপরাহ্ণ

ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে জামিন পেল সমাজসেবা অধিদফতর অধীন ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ২০৫ জন শিশু। ইতোমধ্যে বিশেষ সরকারি ব্যবস্থাপনায় জামিনপ্রাপ্ত ১৩৫ জন শিশুকে তাদের অভিভাবকের ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে, বাকী শিশুদের ইদের পূর্বেই ঘরে ফেরা নিশ্চিত করা হবে।

সমাজসেবা অধিদফতরের গণসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মু সাজ্জাদুল ইসলাম প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় দেশের ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিচালনা করে আসছে অধিদপ্তরটি। এদের ৩টি কেন্দ্র গাজীপুর জেলার টঙ্গী ও কোনাবাড়ী এবং যশোরে অবস্থিত। এরমধ্যে টঙ্গী ও যশোরের কেন্দ্র দুটি বালক শিশুদের জন্য ও কোনাবাড়ীর কেন্দ্রটি বালিকা শিশুদের জন্য নির্ধারিত। শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী আদালত আইনের সাথে সংঘাতে বা সংস্পর্শে আসা শিশুদের জেলখানায় না পাঠিয়ে তাদের উন্নয়নের জন্যই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়ে থাকে।

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদূর্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত ৩০০ আসন বিশিষ্ট শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র, টঙ্গী, গাজীপুরে ৬৯৫ জন শিশু অবস্থান করছিল, যা ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুনেরও বেশি। অন্যদুটি প্রতিষ্ঠানেও ধারণক্ষমতার অনেক বেশি শিশু অবস্থান করছিল। ফলে শিশুরা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে ছিল।

এদিকে কোভিড-১৯ দূর্যোগে দেশের সকল আদালতের স্বাভাবিক বিচার ব্যবস্থা বাঁধাগ্রস্ত হয়ে যায়। এতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের জামিন একেবারে স্থবির হয়ে পড়ে। জামিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অবস্থারত শিশুদের সুরক্ষা প্রদান করা কঠিন হয়ে পড়ে।

সরকার গত ৯ মে তারিখে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ জারি করে। একই সাথে উচ্চ আদালত হতে জারি করা হয় বিশেষ প্রাকটিস নির্দেশনা। এরফলে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার পথ উন্মুক্ত হয়। এর ফলে গত ১২ মে হতে ১৯ মে পর্যন্ত মাত্র আট দিনে ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে জামিন পেয়েছে ২০৫ জন শিশু। এর মধ্যে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র, টঙ্গীর ১২৭ জন বালক শিশু, যশোর কেন্দ্রের ৬৬ জন বালক শিশু এবং কোনাবাড়ী কেন্দ্রের ১২ বালিকা শিশু রয়েছে।

উল্লেখ্য, এ কাজে ‘সুপ্রিম কোর্ট স্পেশাল কমিটি অব চাইল্ড রাইটস’ এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এপিলেড ডিভিশনের বিচারপতি মোঃ ইমান আলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

নকি