নরসিংদীতে দরিদ্রদের পাশে মুক্তাদিন ডাইং

আগের সংবাদ

রাজধানীতে ভ্যাপসা গরম, দমকা হাওয়া আর বৃষ্টি

পরের সংবাদ

মাঠে ফিরতে মরিয়া সাবিনা-আখিরা

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২০, ২০২০ , ৬:২৪ অপরাহ্ণ

করোনা ভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে ক্রীড়াঙ্গন। ফুটবলে এর প্রভাব পড়েছে অনেক আগেই। এই ভাইরাসের থাবায় আমাদের দেশে ফুটবলেও নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। এই অবস্থায় ঘরবন্দী নারী ফুটবলাররা যারপরানই মিস করছেন মাঠের ফুটবলকে। তাই মঙ্গলবার (১৯ মে) বাফুফের ফেসবুক পেজের লাইভ আড্ডায় ফুটবলহীন কষ্টের কথাগুলোই যেন ঝড়লো জাতীয় ফুটবল দলের নারী সদস্যদের।

বাফুফের মিডিয়া নির্বাহী খালিদ মাহমুদের সঞ্চালনায় নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ছাড়াও অংশ নিয়েছিলেন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন, কৃষ্ণা রানী সরকার, মিশরাত জাহান মৌসুমী, মারিয়া মান্দা, তহুরা খাতুন ও আঁখি খাতুন। ফুটবলহীন ঘরবন্দী জীবনের গল্প বলেছেন মেয়েরা। এছাড়াও আড্ডায় উঠে আসে ঈদ প্রসঙ্গ।

করোনাক্রান্তিকালে দুই মাস ধরে সাবিনা-মৌসুমিরা ‘ঘরবন্দি’ হয়ে আছেন ফুটবলে ছেড়ে ঘরে বসে থাকাটাই যেন বোরিং জীবন হয়ে গেছে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা সাবিনা খাতুনের। তিনি বলেন,‘আমরা মাঠের মানুষ। মাঠে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। কিন্তু এখন বাসায় থাকতে হচ্ছে এই সময়টা। বোরিং কাটছে। তবে ঈদ বাসায় কাটাবো, এজন্য ভালো লাগছে। সবাই খুশি থাকবে। বাড়িতেই আছি। মাকে সাহায্য করছি।’

সাবিনার মত একই কথা বলেছেন ডিফেন্ডার আঁখি খাতুন, ‘দুখের কথা হলো টিমম্যাটদের মিস করছি। ফুটবলকে মিস করছি।’ অনূর্ধ-১৯ দলের অধিনায়ক মৌসুমী এমন লম্বা ছুটি পাবেন তা আশা করেননি। যদিও ঘরে বসে সময় কাটাতে ভালো লাগছে না তার, ‘এরকম ছুটি কাটাবো, ভাবিনি। এখন তো বন্দি জীবন কাটাতে হচ্ছে। ফুটবল থেকে দূরে থাকতে অনেক কষ্ট লাগছে। দীর্ঘদিন কাজ ছাড়া থাকতে ভালো লাগে না।’

করোনাকালে যেহেতু মাঠে গিয়ে অনুশীলনের সুযোগ নেই তাই ফিটনেস নিয়েই বেশি ভাবনা মেয়েদের। এ বিষয়ে তাদের কোচ ছোটনের পরামর্শ, ‘১৫ দিন অনুশীলনের মধ্যে না থাকলে ফিটনেস লেভেল নিচের দিকে থাকে। আর দুই মাস এই অবস্থা থাকলে তো ফিটনেস লেভেল একদম খারাপ অবস্থায় যাবে। তবে একসময় জীবন স্বাভাবিক হবে। তখন ফিটনেস নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। এছাড়া যে যেখানে আছে সে যদি নিজের সুবিধা মতো ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারে তাহলে ভালো হবে।’

এমএইচ