কারওয়ান বাজারে ১১ দোকানিকে জরিমানা

আগের সংবাদ

ঢাকায় ঢুকছেন নারায়ণগঞ্জের মানুষ

পরের সংবাদ

অফিস ও বাইরে করোনামুক্ত থাকবেন যেভাবে

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ২৮, ২০২০ , ১:৩৭ অপরাহ্ণ

অফিস

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র লকডাউন। কিন্তু অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে লকডাউন খুলে দিতেই হবে যত দ্রুত পারা যায়। কাজ না করলে আয় রোজগার বন্ধ। তাই কর্মক্ষেত্রে বা অফিসের দিকে অনেকেই ছুটছেন করোনার ঝুঁকি নিয়েও।

ঘরের বাইরে সব সময় সাবান, হ্যান্ডওয়াশ হাতে রাখা সম্ভব না। আবার জনবহুল জায়গায় দূরত্ব বজায় রাখাও কষ্টকর। তাই সচেতন থাকতে হবে সর্বদা। মাস্ক, সাবান আর স্যানিটাইজার। কোভিড-১৯-কে ঘায়েল করার প্রধান অস্ত্রই এ তিনটি। লকডাউন চলাকালীন তো বটেই, তা উঠলেও এই সাবধানতাগুলো আমাদের মেনে চলতে হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। লকডাউন উঠলে ধীরে ধীরে জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বেরতেও হবে। তাই নিয়ম ভাঙলে সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ি থেকে পেট ভরে খেয়ে বে হবেন। কত সময় বাইরে থাকতে হবে সেই অনুযায়ী কিছু খাবার সঙ্গে নিয়ে যাবেন। নিয়ম করে আপেল, কলা, লেবু, শসা বা আঙুর খেতে হবে। বাইরের খাবার যতটা এড়ানো যায়, ততই ভালো। বাইরে বের হলে বা বাইরে থেকে বাড়ি ফেরার পর কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে?

অফিসে বের হওয়ার সময় চেষ্টা করুন ফ্লাক্সে গরম পানি নিয়ে যেতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বারে বারে অল্প করে গরম পানি পান করলে করোনা-সহ যে কোনও ড্রপলেট সংক্রমণ কিছুটা অন্তত প্রতিহত করা যায়।

বের হওয়ার সময় মুখে কয়েক কুচি আদা রাখুন। আদার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রোগ ঠেকাতে সাহায্য করবে।

এই সময়ে বাইরে বের হলে ঘড়ি ও আংটি পরবেন না। এতে হাত পরিষ্কার করতে অসুবিধা হবে।

বাজার-দোকান করার জন্য বাইরে যেতে হলে বাড়িতে মোবাইল রেখে যান। যাদের অফিস করতে হয়, তারা মোবাইল রাখুন ব্যাগের মধ্যে। পথে খুব দরকার না হলে ফোন হাতে নিবেন না। মোবাইল থেকেও যে সংক্রমণ ছড়ায়, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সন্দেহাতীত।

যতটুকু সম্ভব গণপরিবহন এড়িয়ে চলুন। অল্প রাস্তার যাতায়াত হলে প্রয়োজনে হেঁটে যান। একটু কষ্ট হলেও তা শরীরের জন্য ভালো। বিশেষ করে এই আতঙ্কের মধ্যে তো আরও বেশি ভালো।

নিজস্ব গাড়িতে একা যাওয়াই ভালো। পেছনের সিটে বসুন। সম্ভব হলে অফিসে অনুরোধ করুন গাড়িতে যেন নিয়ম করে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়।

নিয়মিত বের হতে হলে দু’টি মাস্ক ব্যাগে রাখুন। মুখে বাঁধা মাস্ক কোনও কারণে নষ্ট হলে বা ভিজে গেলে কাজে লাগবে।

বাড়ি ফিরে মাস্ক নিয়মিত কাচতে হবে। অফিসে পৌঁছে কচলে হাত ধুয়ে নিন। সঙ্গে সাবান ও স্যানিটাইজার রাখতে ভুলবেন না।

জুতোর সঙ্গে মোজা পরুন। বাড়ি ফিরে জুতো-মোজা খুলে হাতে নিয়ে সোজা বাথরুমে চলে যান।

জুতো সাবান দিয়ে ধোওয়া সম্ভব নয় সব সময়। এমন হলে স্যানিটাইজার দিয়ে ধুয়ে নিন। রোদে শুকাতে পারলে ভালো হয়। তা সম্ভব না হলেও বাড়ির ভেতরের বাতাসে শুকিয়ে নিন।

বাজারের ব্যাগ তো বটেই, অফিসের ব্যাগও সাবান জল, কীটনাশক মেশানো জল বা পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট মেশানো পানিতে তুলো ভিজিয়ে তা দিয়ে মুছে নিতে পারেন। বাজারের ব্যাগ অবশ্যই কেচে নেবেন।

সার্জিকাল মাস্ক হলে এক দিন ব্যবহারের পর সেই মাস্ক ফেলে দিন। ধোয়া-কাচা যায় এমন মাস্ক পরলে বাড়ি ফিরে মাস্ক ও যাবতীয় পোশাক সাবান দিয়ে কেচে নিতে হবে।

মোবাইল ফোন বন্ধ করে ভালোভাবে স্যানিটাইজার দিয়ে মুছে নিন। মোবাইলের কভার আলাদা করে সাবান পানিতে ডুবিয়ে বা সাবান দিয়ে ঘষে কেচে নিন।

বাড়িতে থাকলেও ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

এমআই