শ্রীপুরে মা-সহ তিন সন্তানকে হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

আগের সংবাদ

আজকের সংবাদপত্র

পরের সংবাদ

করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসক, ঢাকায় বেশি রাজশাহীতে নেই

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৭, ২০২০ , ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২০ , ২:১৬ অপরাহ্ণ

সারাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। এই আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাও। ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস্ সেফটি রাইটস এন্ড রেসপন্সিবিলিটিস্রে (এফডিএসআর) তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত (২৬ এপ্রিল) সারা দেশের ৩৭১ জন চিকিৎসক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিভাগওয়ারী এই সংখ্যা ঢাকায় বেশি। তবে রাজশাহীতে এখনো পর্যন্ত কোন চিকিৎসক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি।

এফডিএসআরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের ৩০৫ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া, ময়মনসিংহে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১৫ জন, খুলনায় ১০ জন, বরিশালে ৯ জন, সিলেটে ৫ জন, রংপুরে ৩ জন চিকিৎসক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। রাজশাহী বিভাগে এখনো পর্যন্ত কোন চিকিৎসক এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়নি।

বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশনের (বিডিএফ) তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের সরকারি- বেসরকারি ৬০টি হাসপাতালের চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসকদের করোনা আক্রান্ত হবার কারন হিসেবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া, আক্রান্ত রোগীর তথ্য গোপন, অপরিকল্পিত বহির্বিভাগ, নিম্নমানের সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) এবং সর্বোপরি সার্বিক অব্যবস্থাপনাকেই দায়ি করছেন।

এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে না পারলে যেকোনো মুহূর্তে বন্ধ হতে পারে বিভিন্ন হাসপাতাল। সঙ্কটে পড়তে পারে চিকিৎসা ব্যবস্থা। যার ফল হবে আমাদের জন্য ভয়াবহ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। এতে স্বাস্থ্যখাত ভেঙ্গে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। বিডিএফ-এর মহাসচিব ডা. নিরুপম দাশ বলেন, একজন চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হলে চিকিৎসাসহ কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ মিলিয়ে প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় কর্মবিরতিতে থাকতে হয়। এছাড়া তাদের সংস্পর্শে আসা অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়। এতে করে অনেক হাসপাতাল এবং হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যা এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়