রাস্তার পাশের ছিন্নমূলরা দিশাহীন

আগের সংবাদ

বাফুফের মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করলেন জয়

পরের সংবাদ

রইক্ষ্যং পুঁটিবনিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২০ , ৪:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২০ , ৪:৫১ অপরাহ্ণ

টেকনাফের রইক্ষ্যং পুঁটিবনিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে লার্নিং সেন্টার, চাকমা ও রোহিঙ্গাদের বসত-ঘর, দোকান ও হাসপাতালসহ ১৮টি স্থাপনা পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ২জন আহত হলেও আরো ১০ রোহিঙ্গাদের বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
বুধবার (১লা এপ্রিল ) দুপুর পৌনে ২টারদিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাংয়ের ২২নং রইক্ষ্যং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রেলিগেশন-১ পয়েন্ট এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত হয়ে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ফায়ার সার্ভিস কে খবর দিলে তারা আসার পূর্বেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পূর্বেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত আইআরসি হাসপাতাল, মুক্তি ও কোডেক পরিচালিত ৬টি লার্নিং সেন্টার, ৫টি চাকমা ঘর ও ৪টি রোহিঙ্গা বসতি, ২টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের আতংকে আরো ১০টি রোহিঙ্গার ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে শিশু সহ ২ জন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ক্যম্পের বসবাসরত চাকমা পরিবারের রান্না ঘর হতে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে । খবর পেয়ে ক্যাম্পে নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ বিভিন্ন আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ক্যাম্প ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ রফিক অগ্নিকাণ্ডে এসব ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এই ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম ২২নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আল্লাহ বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা করেছেন।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়