করোনা হাসপাতাল হবে লর্ডসে!

আগের সংবাদ

এগিয়ে এলেন সানিয়া মির্জাও

পরের সংবাদ

মেসিকে নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে বার্সা!

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ৩১, ২০২০ , ৭:০০ অপরাহ্ণ

একটি ফুটবল ক্লাবের সামগ্রিক সাফল্য বেশ কিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্লাবের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে খেলোয়াড়দের সম্পর্ক। কিন্তু এই দিক দিয়ে এবার বেশ সমস্যায় রয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। ক্লাব ও খেলোয়াড়দের মধ্যে সম্পর্ক খুব বেশি ভালো যাচ্ছে না এবার। যেন দ্বিধা দ্বন্দ্বে জর্জরিত বার্সা।
এখন ক্লাব ও খেলোয়াড়দের মধ্যে যে বিষয়টি নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে সেটি হলো বেতন কাটা নিয়ে। করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বের অন্য ক্লাবগুলোর মতো আর্থিক ক্ষতির মুখে রয়েছে বার্সা। আর এ কারণে তারা খেলোয়াড়দের কাছ থেকে বেতন কেটে নেয়ার প্রস্তাব দেয়। মেসি-পিকেরা এ ব্যাপারে রাজিও হয়েছে। তারা তাদের ৭০ ভাগ বেতন ক্লাবকে দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এ নিয়ে খুশি ছিল না। কারণ তাদের ভাষ্য ক্লাব অহেতুক অনেক টাকা নষ্ট করেছে। আর সেই নষ্ট করার খেসারত তারা কেন দেবে।
এই মৌসুমে দ্বন্দ্বের সূচনাটা হয় মূলত প্রাক মৌসুম থেকে। কারণ প্রাক মৌসুমে বার্সা বেশ কয়েকটি প্রীতিম্যাচ খেলে। এ নিয়ে খুশি ছিল না খেলোয়াড়রা। কারণ তাদের ওপর দিয়ে এর ধকল যাচ্ছিল।
এরপরের দ্বন্দ্বটা হলো ক্লাবের নতুন খেলোয়াড় ফ্রাঙ্ক দি জংকে ২১ নম্বর জার্সি দেয়া নিয়ে। ডাচ ক্লাব আয়াক্স থেকে দি জংকে বার্সায় এনে ২১ নম্বর জার্সি দেয় ক্লাব। কারণ আয়াক্সে তিনি ২১ নম্বর জার্সি পরেই খেলতেন। আর বার্সায় এর আগে থেকে ২১ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন কার্লেস এলেনা। তার কাছে কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই ২১ নম্বর জার্সি দি জংকে দেয়া হয়।
বেতন নিয়ে ঝামেলার আগে বার্সা আলোচনা আসে স্পোর্টিং ডাইরেক্টর এরিক আবিদাল ও মেসির দ্বন্দ্ব। আবিদাল অভিযোগ করেন মেসি ও ক্লাবের অন্য খেলোয়াড়রা সাবেক কোচ ভালভার্দের কথা শোনতেন না। আর তাই তাকে ক্লাব থেকে বরখাস্ত হতে হয়েছিল। আবিদালের এমন কথায় মেসি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এবং সরাসরি তার সমালোচনা করেন। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত মিটিংয়েও বসতে হয় মেসি ও বার্সা ক্লাব কর্তৃপক্ষকে।
আরেকটি দ্বন্দ্ব বার্সাকে এই মৌসুমে কাঁপিয়ে দিয়েছিল। আর সেটি হলো সামাজিকমাধ্যম ক্যালেঙ্কারি। খবর বের হয় বার্সার সভাপতি আই থ্রি ভেঞ্চার নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া করে। যাদের কাজ ছিল সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ক্লাবের নির্দিষ্ট কয়েকজন খেলোয়াড়ের নামে কুৎসা রটানো ও তাদের হেয়প্রতিপন্ন করা। জানা যায়, এ নিয়ে খেলোয়াড়রা ক্লাবের কাছে জবাবদিহিতা চায়।

ডিসি