ঝুঁকিতে কারাবন্দিরা

আগের সংবাদ

করোনার বিস্তার ঠেকানোর ব্যবস্থা নেই গণপরিবহনে

পরের সংবাদ

দোলাচলে স্পিনার আবদুর রাজ্জাক

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২৩, ২০২০ , ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন বাঁ-হাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন কর্তৃক তাকে প্রস্তাবটি দেয়া হয়। তবে এই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আবদুর রাজ্জাক তাৎক্ষণিক সম্মতি না জানালেও নির্বাচক হতে আপত্তি নেই তার।

এ প্রসঙ্গে রাজ্জাক বলেন, ‘আমি এখনো কিছু জানাইনি। সময় নিয়েছি। কিছুদিন সময় লাগবে। জানেনই তো কাজটা কঠিন। এখন বললাম, এখনই ক্রিকেট ছেড়ে দিলাম। এই একটা ব্যাপার তো আছেই। তাছাড়া এখন লিগ চলছে। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে আমি আগ্রহী কিনা, কতদিন খেলার ইচ্ছা আছে এসব। আসলে এভাবে তো হুট করে ফোনে বলা যায় না যে কতদিন ক্রিকেট খেলব আর খেলব না।’

‘তবে নির্বাচক হিসেবে কাজ করার ইচ্ছে আছে। লিগের পরে চিন্তা করব। এসব বিষয় খেলার ওপরে প্রভাব ফেলে। কারণ আমি একটা ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। যেহেতু তারা আমাকে নিয়েছে তাদের ইচ্ছে পূরণ করা উচিত। তবে আমি ইতিবাচকই ভাবব।’ যোগ করেন আবদুর রাজ্জাক।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেছেন, ‘সেদিন হাবিবুল বাশারের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম ওর আগ্রহ আছে কিনা। ও রাজ্জাককে জিজ্ঞেস করেছিল, এই যা।’

২০১৬ সালে ফারুক আহমেদ প্রধান নির্বাচক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোয় ওই বছরের জুনে নতুন প্যানেলে মিনহাজুল আবেদীন নান্নুকে প্রধান নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ দেয় বিসিবি। জাতীয় দলের সাবেক কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংকে অন্তর্ভুক্ত করতে দুই স্তরের নির্বাচন ব্যবস্থার বিরোধিতা করে প্রধান নির্বাচকের চাকরিতে ইস্তফা দেন ফারুক। একই প্যানেলে নির্বাচক পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল ওই সময় নারী ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচকের দায়িত্বে থাকা আরেক সাবেক দলপতি হাবিবুল বাশার সুমনকে। আর তৃতীয় সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন সাজ্জাদ আহমেদ শিপন। বছর না ঘুরতেই শিপন জাতীয় দলের দায়িত্ব ছেড়ে বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচকের দায়িত্ব নিলে সেই থেকে নান্নু-বাশারই প্রধান নির্বাচক ও নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

জনশ্রুতি আছে পরিচ্ছন্ন ইমেজের কাউকে না পাওয়ায় নির্বাচক প্যানেলের তৃতীয় সদস্যের পদটি এখনো ফাঁকা পড়ে আছে। আর সেই পরিচ্ছন্ন ইমেজে এগিয়ে আছে বলেই অনানুষ্ঠিকভাবে হলেও সবার আগে রাজ্জাককে প্রস্তাবটি দেয়া হয়েছে। বিসিবি চায় টেস্ট ক্রিকেটারদের থেকে একজনকে নির্বাচক প্যানেলে নিতে। তাদের মধ্যে জাতীয় দলের সাবেক পেসার মঞ্জুরুল ইসলামের নাম অনেক দিন ধরেই আলোচনায়। তালিকায় নতুন যোগ হয়েছে বাঁ-হাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক ও শাহরিয়ার নাফিসের নাম। মঞ্জু কোচিং পেশায় থাকলেও পরের দুজন এখনো খেলছেন।

রাজ্জাকের ক্যারিয়ার প্রায় শেষের দিকে। ৩৮ বছর হতে বেশি দেরি নেই তার। ৩৫ বছর ছুঁই ছুঁই শাহরিয়ার নাফিস চাইলে আরো কিছুদিন খেলা চালিয়ে নিতে পারবেন। তবে ইমেজ ও ক্যারিয়ার চিন্তা করলে এই তিনজনের মধ্যে রাজ্জাকই প্রথম পছন্দ হওয়ার কথা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রাজ্জাক এখনো প্রথম সারির উইকেট শিকারিদের একজন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও চাহিদা আছে তার। নিয়মিত লিগে খেলতে পারলে আর্থিক লাভ বেশি। এ কারণেই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সময় নিচ্ছেন বাগেরহাটের এ ক্রিকেটার।

এমএইচ