ই পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক কার্যক্রম স্থগিত

আগের সংবাদ

নগদ নয়, অনলাইনে লেনদেনের আহ্বান

পরের সংবাদ

বিকাশের দোকান খুলতে গেলেই সর্বনাশ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২২, ২০২০ , ৯:৪৩ অপরাহ্ণ

সাধারনত সারাদিনের লেনদেনের সব টাকা নিয়ে রাতের বেলা ঘরে ফেরেন বিকাশের দোকানিরা। পরের দিন ওই টাকা একটি ব্যাগে করে এনে আবার দোকানদারি শুরু করেন। কিন্তু সকাল বেলা দোকানের সাটার খুলতে গেলেই বাধে বিপত্তি। হঠ্যাৎ করেই তাকে ঘিরে ধরে ২-৩ জন ব্যক্তি। প্রয়োজনীয় কাজের কথা বলে দোকান খোলার আগেই তারা ব্যস্ত করে ফেলে দোকানিকে। এরইমধ্যে সাটার খোলার জন্য টাকার ব্যাগ পাশে রাখে দোকান্দার। গল্পের ছলে ওই ব্যাগ থেকে চোখ সরানোর কিছুক্ষণ পরেই দেখেন ব্যাগটি আর নেই।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই ব্যাগটি এদিক ও দিক ভালো করে খুজতে থাকেন দোকানি। এই সুযোগে ওই ২-৩ জন ব্যক্তিও উধাও। কারণ ব্যাগটি আর কেউ নেয়নি। আগে থেকে দোকানের পাশে দাড় করিয়ে রাখা তাদের অন্য সদস্যরা ব্যাগটি নিয়ে সটকে পড়েছে।

এভাবেই অভিনব কায়দায় চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিট। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মো. জাফর, মোহাম্মদ হোসেন ও মো. হানিফ। শনিবার কামরাঙ্গীরচরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার ২০০ চোরাই টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে তারা সংঘবদ্ধভাবে কোনো বিকাশের দোকান টার্গেট করে। সকালে বিকাশের দোকান খোলার সময় তারা সংঘবদ্ধভাবে হাজির হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন দোকান খোলার সময় দোকানদারকে ব্যস্ত রাখে। এই সুযোগে চোর দলের অন্য সদস্যরা দোকানির সঙ্গে থাকা টাকার ব্যাগ নিয়ে এবং দোকানের গচ্ছিতো মালামাল নিয়ে সুকৌশলে চম্পট দেয়।

ডিবির সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিটের শুটিং ইন্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন টিমের এডিসি আশরাফ উল্লাহ বলেন, এই চক্রের সদস্যরা একই পরিবারের সদস্য। ৩/৪ বছর যাবত তারা সংঘবদ্ধভাবে এই কাজ করে আসছে। তাদের পলাতক সহযোগী মো. ইয়াসিন ও মো. মিজানের নাম জানা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডিসি