আবেদনেও খালেদার সাক্ষাৎ পাচ্ছে না পরিবার

আগের সংবাদ

কম ভোটের রেকর্ড করলো ইসি

পরের সংবাদ

চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলেন আরিফুল

তৈয়বুর রহমান,, কুড়িগ্রাম 

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২১, ২০২০ , ৮:০৯ অপরাহ্ণ

জেলা প্রশাসনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্মম নিযার্তনের শিকার সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম হাসপাতাল ছেড়েছেন। এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে ছাড়পত্র দিলে বাড়ি চলে যান তিনি।

উল্লেখ্য গত (১৩ মার্চ) শুক্রবার মধ্যরাতে বাসার দরজা ভেঙ্গে বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে ধরে নিয়ে আসে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোছা: সুলতানা পারভীনের নির্দেশে তাকে এনকাউন্টার (বন্ধুকযুদ্ধ) দেয়ার চেষ্টা চালায় আরডিসি নিজাম উদ্দিন। একপর্যায়ে এনকাউন্টারে না নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে নিয়ে এসে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালায়। নির্মম নিযার্তনের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকের মিথ্যা মামলায় ১ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে তাকে জেলে পাঠায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

জেলা প্রশাসনের ন্যাক্কারজনক এ ঘটনায় ইলেকট্রিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়া শুরু হলে গত ১৫ মার্চ চাপের মুখে জেলা প্রশাসন থেকে তাকে জামিন দেয়। জামিন পেয়ে গুরুত্বর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় আরিফুল।

এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোছা: সুলতানা পারভীনসহ ৩ ম্যাজিস্ট্রেকে প্রত্যাহার করে নেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

হাসপাতাল ছাড়ার সময় অমানুষিক নির্যাতনের বিচার দাবি করে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনো কর্মকর্তা গণমাধ্যমের কোন কর্মীর উপর এ রকম নারকীয় অত্যাচার যেন চালাতে না পারে। তিনি সতীর্থ সাংবাদিকসহ দেশবাসী ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় গত শুক্রবার (২০ মার্চ) কুড়িগ্রাম সদর থানায় সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে কুড়িগ্রামের প্রত্যাহার হওয়া জেলা প্রশাসক মোছা: সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দিন, সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা ও রাহাতুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের অজ্ঞাতনামা ৩৫/৪০জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করেন।

এসআর