করোনা ঝুঁকি নিয়েই তিন আসনে উপনির্বাচন কাল

আগের সংবাদ

হাত ধুয়ে উঠতে হবে লঞ্চে

পরের সংবাদ

জনসমাগম নিষেধাজ্ঞা, ‍উপেক্ষা ইসির

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২০, ২০২০ , ৭:৫০ অপরাহ্ণ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেখানে ১০ জনের বেশি লোকের সমাগম নিষিদ্ধ করেছে, সেখানে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ চট্টগ্রামে আড়াই হাজারেরও বেশি লোক সমাগম করে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

চট্টগ্রাম মহানগরের চারটি স্কুলে শুক্রবার (২০ মার্চ) একযোগে শুরু হয়েছে এ প্রশিক্ষণ। এ নিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে আসা কর্মকর্তাদের মধ্যেও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা লক্ষ্য করা গেছে। সরকার নির্দেশিত নিয়ম ভঙ্গ করে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসাররা। দেশের এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন পদক্ষেপে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষক, ব্যাংকারসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা।

এদিকে করোনা ঝুঁকির মধ্যে প্রশিক্ষণের জন্য জমায়েতের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্বাচনে ডাক পাওয়া কর্মকর্তারা। সরকার যেখানে ৫ জনের বেশি মানুষের জমায়েতে নিরুৎসাহিত করছে, এমনকি খোদ নির্বাচন কমিশনই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ৫ জনের বেশি মানুষকে সাথে আনা যাবে না বলে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল, সেই নির্বাচন কমিশনই কয়েক হাজার কর্মকর্তা নিয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে। এমন ঘটনায় বিস্মিত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল। করোনাভাইরাসের সতর্কতাবিধি ভঙ্গ করে প্রশিক্ষণ সমাবেশ অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকেই। এতে ওই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে দায় নির্বাচন কমিশন নেবে কিনা— এই প্রশ্নও ওঠেছে।

নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সরকার যেখানে ৫ জনের বেশি সমাগম হতে নিষেধ করেছেন, সেখানে এতো লোকের মধ্যে প্রশিক্ষণ কিভাবে নেবো? এতে করোনাভাইরাস ছড়ালে সেই দায়ভার কি নির্বাচন কমিশন নেবে? এই ভাইরাসকে নিয়ে অবহেলা করার সুযোগ নেই। যদি এটির চিকিৎসা থাকতো তাহলে আমরা মেনে নিতাম।

এসএইচ