‘তিস্তা মার্চ’ কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত করলো বাসদ

আগের সংবাদ

কক্সবাজারে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

পরের সংবাদ

মহম্মদপুর উপজেলা

অপকর্মের নায়ক ছিলেন আরডিসি নাজিম উদ্দিন

দীপক চক্রবর্তী, মাগুরা থেকে,

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ১৮, ২০২০ , ৭:৫৩ অপরাহ্ণ

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগ্যানের নির্যাতনকারী নাজিম উদ্দিন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় সহকারি কমিশনার (ভুমি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি কর্মরত ছিলেন ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের নেছার উদ্দিনের পুত্র নাজিম উদ্দিন।

এ সময় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসাদাচরণ, সাধারণ মানুষকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দিয়েছেন জেল, করেছেন মারধর, ছিলেন নানা অনিয়ম, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ব্যক্তি মালিকানার জমিকে খাস দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দের নামে হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি কোটি-কোটি টাকা। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে চলছে বিভাগীয় মামলা।

ওষুধ ব্যবসায়ী বাদশা ফকির বলেন, নাজিম উদ্দিনের মতো খারাপ মানুষ ও ঘুষখোর কর্মচারী মহম্মপুরবাসী আগে কখনো দেখেনি। এ ধরনের কর্মচারী গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্বে থাকলে যে কোন সময় রাষ্ট্রের জানমালের বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে। কোন কিছুই তোয়াক্কা করেননি তিনি। আমাকে পথে বসিয়েছেন। আমি ওই দুস্কৃতকারী কর্মকর্তার বিচারের দাবি জানাই। তিনি আরো বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ গর্ভপাতের মিথ্যা অভিযোগে আমাকে এক বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এই রায়ে বিনা অপরাধে ২ মাস ৩ দিন হাজত খেটেছি।

রাজাপুর গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী অজয় সাহা বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নামে নাজিম উদ্দিন তার দোকানে এসে ফার্নিচার ভাংচুর করেন। অশ্রাব্য ভাষায় গালি দেন। একাধিক ব্যবসায়ী তার হাতে লাঞ্ছিত ও মারপিটের শিকার হন। পরে ব্যবসায়িদের তোপের মুখে তিনি পিছু হটেন। মহম্মদপুরের নহাটা বাজারের ব্যবসায়ীরা তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ, ঝাটা মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সময় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

মাগুরা জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম এ বিষয়ে বলেন, বিভিন্ন অভিযোগে মহম্মদপুর উপজেলার সাবেক সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও তদন্ত চলছে।

এসআর