অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা

আগের সংবাদ

খেলাপি আদায় কোন পথে

পরের সংবাদ

টাঙ্গাইলে দুই বাংলার কবিদের মিলনমেলা

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২০ , ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২০ , ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ

দুই বাংলার কবিদের পদচারণায় মুখরিত এখন টাঙ্গাইল শহর। এ শহরে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় ৫০০ কবির অংশগ্রহণে চলছে পঞ্চম বাংলা কবিতা উৎসব। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী সামনে রেখে টাঙ্গাইলে সাধারণ গ্রন্থাগার এ উৎসবের আয়োজন করেছে।
তিন দিনব্যাপী কবিতা উৎসবের দ্বিতীয় দিন গতকাল বুধবার চারটি পর্বে কবিতা পাঠের আসরে শতাধিক কবি তাদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন। সকালের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন রতন মাহমুদ। এ অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীর ফিরোজ। আনজির লিটনের সভাপতিত্বে দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদ আহমেদ দুলাল। দিলারা হাফিজের সভাপতিত্বে নারী কবিদের অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন রুবী রহমান।

এছাড়া দুপুরে ‘স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে ছোট কাগজ বৃত্ত ভূমিকা পরম্পরা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রহিম শাহের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফারুক মাহমুদ। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন আজাদ নোমান। আলোচনায় অংশ নেন পারভেজ হোসেন, সরকার মাসুদ ও সেলিম মোর্শেদ।
সন্ধ্যায় মনি শংকর রায়ের সভাপতিত্বে ভারতের কবিদের অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্যামল কান্তি দাস। পরে ভারতের কবি প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় ও পার্থসারথি গায়েন এবং বাংলাদেশের কবি জাহিদ হায়দার ও মুজিবুল হক কবীরকে অরণ্য সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।

কবিতা পাঠের ফাঁকে ফাঁকে অনুষ্ঠানস্থল টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানের বিভিন্ন প্রান্তে কবিদের আড্ডা চলে সারা দিন। নবীন-প্রবীণ কবিদের উপস্থিতিতে পৌর উদ্যান হয়ে ওঠে কবিদের মিলনমেলা। কবি বুলবুল খান মাহবুব বলেন, টাঙ্গাইলের এই কবিতা উৎসবের জন্য আমরা তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষায় থাকি কবে মিলিত হব।

ভারতের কবি নমিতা চৌধুরী বলেন, এবার তার তৃতীয়বারের মতো টাঙ্গাইলের বাংলা কবিতা উৎসবে আসা। এটি এখন দুই বাংলার কবিদের প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। কবি শ্যামল কান্তি দাশ বলেন, টাঙ্গাইলের এই উৎসব এখন দুই বাংলার বৃহত্তম কবিতা উৎসব।

কবি মাহমুদ কামাল জানান, ২০০২ সাল থেকে এই উৎসব টাঙ্গাইলে হচ্ছে। কয়েক বছর পর পর এই উৎসব আয়োজন করা হয়। এ উৎসবের মধ্য দিয়ে ভারত ও সারাদেশের কবিদের মধ্যে মতবিনিময় হয়। দেখা-সাক্ষাৎসহ নানা ধরনের আড্ডা হয়। এবার পঞ্চমবারের মতো উৎসব হচ্ছে। প্রতিবারই উৎসবের আঙ্গিক বৃদ্ধি পাচ্ছে। মেলা প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বইমেলাও চলছে।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়