গোলাম মুস্তাফা স্মৃতি সম্মাননা পেলেন আফজাল হোসেন

আগের সংবাদ

সংঘনায়ক মহাথেরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

পরের সংবাদ

স্কোয়াশ চাষে সফল নবাবগঞ্জের শরিফুল

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২০ , ৩:৩৬ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২০ , ৩:৩৬ অপরাহ্ণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে স্কোয়াশ চাষে সফল হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোঃ শরিফুল ইসলাম। দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কোয়াশ চাষ অনেক আগে থেকে শুরু হলেও স¤প্রতি উপজেলায় এ ফসলের চাষ শুরু হয়েছে। সে উপজেলার কামালপুর গ্রামের মৃত বরিজ উদ্দিনের ছেলে। খেতে সুস্বাদু পুষ্টিগুণে ভরা স্কোয়াশ চাষে ফলন ও দাম দুটিই ভাল পাওয়ায় এখন লাভের মুখ দেখছেন শরিফুল।
তার স্কোয়াশ চাষের সাফল্যে আগ্রহ বেড়েছে এলাকার কৃষকদের।

শরিফুল জানান, সেনাবাহিনীতে চাকরিকালে বিভিন্ন এলাকায় তিনি স্কোয়াশ চাষ দেখে উদ্বুদ্ধ হন। তিনি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর পরই উপজেলার খটখটিয়া কৃষ্টপুর মৌজায় তার নিজের ৩ বিঘা জমিতে স্কোয়াশ চাষ শুরু করেন এবং ভাল ফলনও হয়। বর্তমানে ফুল ও ফলে ভরে গেছে তার স্কোয়াশ ক্ষেত। এখন প্রতিদিন তার ক্ষেতের স্কোয়াশ যাচ্ছে এলাকার বিভিন্ন বাজারে।

তিনি জানান, প্রথমে এলাকায় নতুন সবজি হিসেবে বাজারে চাহিদা ছিল না। ক্রেতাদের বিভিন্নভাবে বুঝানোর মাধ্যমে তিনি বাজারে স্কোয়াশের চাহিদা সৃষ্টি করেন। এখন এলাকার বাজারে ব্যাপক চাহিদা এই সবজির। বীজ বপনের ৮০ থেকে ৮৫ দিনেই বাজারজাত করা যায় স্কোয়াশ সবজি। দেখতে অনেকটা বাঙ্গি এবং উপরের রং দেখতে মিষ্টি কুমড়ার মত সবুজ। প্রায় এক ফুট লম্বা একেকটি স্কোয়াশ ২ থেকে ৩ কেজি ওজনের হয়। উপজেলার বাজারে ২০/২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এ সবজি।

তিনি আরো জানান, চলতি মৌসুমে খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা লাভ করার আশা করছেন। তার ক্ষেতটি বিশমুক্ত। পোকা মাকড় থেকে রক্ষা করতে ব্যবহার করেছেন ফেরোমন পদ্ধতি। এলাকার নতুন সবজি হওয়ায় প্রতিদিন তার স্কোয়াশ ক্ষেত দেখতে আসছে অনেকেই। দেখছেন এবং পরামর্শ নিচ্ছেন স্কোয়াশ চাষের। স্কোয়াশ চাষ লাভজনক হওয়ায় অনেকেই আগ্রহ দেখাচ্ছে স্কোয়াশ চাষের। অপর দিকে কয়েকজন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে তার ক্ষেতে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মোস্তাফিজুর রহমান জানান, স্কোয়াশ সবজি হিসেবে খুবই ভালো এবং ফলনও খুব ভালো হয়। স্কোয়াশ চাষ বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া স্কোয়াশ চাষের অনুকুলে হওয়ায় অর্থকরি ফসল হিসেবে ব্যাপক সম্ভাবনা
রয়েছে স্কোয়াশ চাষের। সরকারিভাবে উপজেলার কৃষকদের স্কোয়াশ চাষে আরো বেশি বেশি উদ্বুদ্ধ করা ও সহযোগিতা করা হলে কৃষকরা লাভবান হবেন।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়