শ্বাসরুদ্ধ জয়ে সিরিজ টাইগারদের

আগের সংবাদ

পাহাড়ে ফের হিংসার ঢেউ

পরের সংবাদ

শেষ হলো জাতীয় পিঠা উৎসব

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২০ , ৯:৩৫ অপরাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২০ , ৯:৩৫ অপরাহ্ণ

বাঙালি সংস্কৃতির লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে পিঠা। আর গ্রামাঞ্চলে নতুন ধান উঠার পর থেকেই পিঠা তৈরির আয়োজন করা হয়ে থাকে। শহরের মানুষদের সেসব পিঠার স্বাদ গ্রহণ ও তাদের মধ্যে পরিচিত করে তুলতে জাতীয়ভাবে ত্রয়োদশতম উৎসবের আয়োজন করেছে জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ।

বরাবরের মতো এবারও শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নানা রকমের পিঠার সমাহার নিয়ে সাজানো হয়েছিল ১০দিনের এই উৎসব। বাহারি স্বাদের ডিজাইনের পিঠার সৌন্দর্যে মুখরিত ছিল শিল্পকলা একাডেমি। গ্রামীণ এই ঐতিহ্যের সঙ্গী হতে ও এর স্বাদ নিতে প্রতিদিনই শিল্পকলা একাডেমিতে ভিড় জমিয়েছেন পিঠারসিকরা।

রাজধানীর বাসিন্দাদের নানা ধরণের পিঠার স্বাদ দিয়ে আরো এক বছরের অপেক্ষায় রেখে গতকাল শেষ হলো দশদিনের এই পিঠা উৎসব। পিঠাশিল্পীদের পুরস্কার প্রদান, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে সাজানো ছিল উৎসবের সমাপনী আয়োজন।
জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়েই শুরু হয় সামপনী দিনের আনুষ্ঠানিকতা। এরপর অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেয় শিল্পকলা একাডেমির বিভিন্ন বিভাগের শিল্পীরা।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি ম. হামিদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উৎসব আহবায়ক ও একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, নাট্যাভিনেত্রী ও নির্দেশক লাকী ইনাম, একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী আমানুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন যুগ্ম-আহবায়ক একাডেমির সচিব আনম বদরুল আনম ভূঁইয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন যুগ্ম-আহবায়ক খন্দকার শাহ আলম।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পিঠা উৎসব একটা জাগরণের মতো। শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে এমন আয়োজন সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার মধ্য দিয়ে। আর পিঠা উৎসবের মতো এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু যে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন এটাকে শক্তিশালী করতে হবে।

রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করতে হলে সংস্কৃতির জায়গাটাকে গুরুত্ব দিতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু আজীবন কাজ করেছেন। আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও উৎসবের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে আরো বেশি বেশি ছড়িয়ে দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের পিঠার জন্য পাঁচজন পিঠাশিল্পীকে সেরা শিল্পী ও তিনজনকে বিশেষ পুরস্কারসহ মোট আটজন পিঠাশিল্পীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার হিসেবে তাদেরকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী ৫০জন পিঠাশিল্পীকেও সনদপত্র প্রদান করা হয়। সবশেষে ছিল নাচ, গান, নাটকসহ নানা ধরণের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

নকি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।