চসিকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন

আগের সংবাদ

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১১ বছর

পরের সংবাদ

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কমিটি

ঢাবির সান্ধ্য কোর্সে ভর্তি স্থগিত

ঢাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০ , ১:২৪ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন অনুষদ এবং ইনস্টিটিউটে সান্ধ্যকোর্স থাকবে কিনা সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত এ কমিটিকে আগামী পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটা থেকে সিনেট ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সভা চলে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত। সভা শেষে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনা শেষে কমিটির সুপারিশগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সুপারিশে একটু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

উপাচার্য আরো জানান, সান্ধ্য কোর্সের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক সদস্য হিসেবে থাকবেন। এই কমিটিকে আগামী পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উপাচার্য আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে সান্ধ্য কোর্সের কোনো ধরণের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি বা নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা একাডেমিক কাউন্সিলে তোলা হবে। সেখানে জাতীয় স্বার্থ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা সবকিছু মিলিয়ে দেখে নীতিমালার আলোকে এরপর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এর আগে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচিত এ কোর্স বন্ধ না করার পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন শিক্ষকরা। সান্ধ্যকোর্সের পক্ষ নিয়ে অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, এ ধরণের প্রোগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। আমি যদি আমার বিভাগের কথা বলি তাহলে বলবো, আমার এখানে ডিগ্রি নেয়ার জন্য এখানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আসে, যা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে গৌরাবান্বিত করে।

কোর্সের বিরোধিতা করে স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা, যারা মেধা দিয়ে এখানে ভর্তি হয়, তাদের স্বার্থের বিষয়ে আমাদের চিন্তা করতে হয়। শিক্ষার্থীরা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, আমাদের স্যাররা আমাদের সময় দেন না।

বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও সান্ধ্যকোর্স যাচাই কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ সভা থেকে বের হয়ে জানান, সান্ধ্যকোর্স বন্ধের পক্ষে কথা বলায় তার বক্তব্যের মধ্যে সভা থেকে ‘শেইম’ ‘শেইম’ চিৎকার আসে।

সভায় ব্যবসা শিক্ষা অনুষদভুক্ত ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষ্যাধক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন সান্ধ্যকোর্স চালু রাখার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই সান্ধ্যকোর্স থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর ৫০ কোটি টাকা পাচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যয় হচ্ছে৷’

এনএম