ফের ভাইরাল সারার বিকিনি ছবি

আগের সংবাদ

কন্যাসন্তানের মা হলেন লাক্স তারকা নিশা

পরের সংবাদ

দেশেই অবহেলা, বাইরে বাংলার সমাদর

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০ , ৫:৩৫ অপরাহ্ণ

মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বিশ্বে বিরলতম ঘটনা। সেই ঘটনারই জন্ম হয়েছিল বায়ান্নর ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায়। তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের চাপিয়ে দেয়া রাষ্ট্রভাষা উর্দূর পরিবর্তে বাংলার দাবিতে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল। রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা অগণিত তরুণ শহীদ হয়েছিলেন।

বাঙালির আত্মদানের অবিস্মরণীয় ঘটনা স্বীকৃত হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেই থেকে সারাবিশ্বেই দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

এমনকি যে রাষ্ট্র উর্দূকে চাপিয়ে দিতে না পেরে গুলি চালিয়ে প্রাণ কেড়েছিল অধিকার সচেতন বাঙালি তরুণদের সেই পাকিস্তানেও এখন একুশের চেতনা ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে মাতৃভাষা রক্ষা আর সর্বস্তরে স্বীকৃতির জন্য দাবি উঠেছে।

বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশিদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকার করে থাকা বাংলাভাষার সম্মান আর স্বীকৃতি দিতে ইতোমধ্যে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের বাংলা ওয়েসসাইট চালু করা হয়েছে। চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) জোয়ান ওয়াগনা বলেছেন, বাংলা ভাষা আন্দোলনকে শ্রদ্ধা জানাতে দূতাবাসের পক্ষে নতুন বাংলা ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা আমার জন্য সম্মান এবং আনন্দের।

এদিকে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসেই এশিয়া প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক ইনফরমেশন সেন্টারের (এপনিক) দাপ্তারিক ভাষা হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলা। বাংলাভাষার প্রতি সম্মান জানিয়ে এপনিক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট

এমনকি জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলার স্বীকৃতি এখন সময়ের ব্যাপার। তবে সারা বিশ্বজুড়ে বাংলা জনপ্রিয় আর সমাদর পেলেও খোদ নিজ দেশেই অবহেলার শিকার হচ্ছে মাতৃভাষা। দায়িত্বশীলদের অবহেলায় যেমন বাংলা চর্চার গতি স্লোথ, তেমনি অযত্নে হারিয়ে যেতে বসেছে অনেকগুলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষাও।

হাইকোর্টের নির্দেশনার পরেও সাইনবোর্ডে বাংলা লেখা কিংবা শুদ্ধ বানান লেখা নিয়ে অবহেলা আর উদাসীনতা রয়েই গেছে। এমনকি সরকারি দপ্তরের ওয়েসসাইটগুলোতেও ভুলবানানের ছড়াছড়ি দেখা যায়। দাপ্তরিক পত্র বা নোটিসগুলোও দেখা যায় ভুলে ভরা।

দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের ফলে মাতৃভাষা বাংলার চর্চা যেমন ঠিকমতো হচ্ছে না তেমনি তরুণদের মধ্যে ভাষা বা শব্দের বিকৃতি করতেও দেখা যায়।

এনএম