হাত খরচের জন্য ৮৭ লাখ টাকা পান জর্জিনা

আগের সংবাদ

‘ইন দ্য মুড ফর লাভ’র ২০ বছর পূর্তি

পরের সংবাদ

মুমিনুলের কঠিন পরীক্ষা

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০ , ১০:১৭ অপরাহ্ণ

গত অক্টোবরে এক বছরের জন্য সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয় সাকিব আল হাসানকে। নিষিদ্ধ হওয়ার সময় বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন তিনি। ভারত সফরের আগ মুহূর্তে সাকিব নিষিদ্ধ হওয়ায় ১১তম অধিনায়ক হিসেবে টেস্টের দায়িত্ব দেয়া হয় মুমিনুল হকের কাঁধে। তবে তার নেতৃত্বে ভারতে গিয়ে টেস্টে বেহাল দশা হয় টাইগারদের। কোহলিদের বিপক্ষে দুটো ম্যাচের দুটোতেই হারতে হয় ইনিংস ব্যবধানে। এরমধ্যে একটি ম্যাচ ছিল গোলাপি বলের। সেই ম্যাচটিতে বলতে গেলে মুশফিক-মুমিনুলরা ভারতীয় পেসারদের কাছে নাকানি-চুবানি খান। এরফলে প্রথমবারের মতো অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে দুঃসহস্মৃতি নিয়ে বাড়ি ফেরেন অধিনায়ক মুমিনুল। এরপর এই মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে পাকিস্তানে যায় টাইগাররা। ২০১৯ পেরিয়ে নতুন বছর ২০২০ আসলেও টেস্ট ক্রিকেটে বদলায়নি বাংলাদেশের পরাজয়ের ধরন। ভারতের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষেও হারতে হয় ইনিংস ব্যবধানে।

২২ ফেব্রুয়ারি থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে টাইগাররা। এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গত এক বছরে টেস্ট ক্রিকেটে কোনো জয় তুলে নিতে পারেনি টাইগাররা। সঙ্গে সঙ্গে অধিনায়ক মুমিনুলের জন্য এই ম্যাচটি একটি কঠিন পরীক্ষা। কারণ অধিনায়ক হিসেবে এখনো জয়ের স্বাদ পাননি তিনি। তাছাড়া শেষ ৩টি টেস্ট ম্যাচে খেলতে পারেননি অধিনায়কের মতো ইনিংস। সেঞ্চুরি তো দূরে থাক করতে পারেননি কোনো হাফসেঞ্চুরি। এই শেষ ৩টি ম্যাচের মধ্যে তার এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান এসেছে ৪১। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে এই রান করেন তিনি। আর ভারতের বিপক্ষে ইডেন গার্ডেনে হওয়া গোলাপি টেস্টে তিনি রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ২ ইনিংসেই ডাক মেরে সাজঘরে ফেরেন।

বাংলাদেশের যে কজন ব্যাটসম্যানকে টেস্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে ধরা হয় মুমিনুল তাদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু তিনি কয়েকদিন ধরে নিজের সেরাটা দিতে পারছেন না। ফলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই সিরিজটি তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখন দেখার বিষয় ঘরের মাটিতে হওয়া এই টেস্টে তিনি নিজেকে কতটুকু মেলে ধরতে পারেন।

এসএইচ