বাণিজ্যমন্ত্রীর যা রং, খুব পছন্দ রুমিনের!

আগের সংবাদ

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির অ্যাডভোকেসি সভা

পরের সংবাদ

মোবাইলের শতভাগ টাওয়ার নিরাপদ দাবি সঠিক নয়

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০ , ৭:৫৪ অপরাহ্ণ

মাত্র কয়েকটি বেইজ ট্রান্সিভার স্টেশন (বিটিএস) পরীক্ষা করেই মোবাইল ফোনের সব টাওয়ারকে নিরাপদ দাবি করা সঠিক হয়নি বলে মনে করে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন। বিটিএসের রেডিয়েশনের মাত্রা নিয়ে গত সোমবার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশনের (বিটিআরসি) এক সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশের পর দিন গতকাল মঙ্গলবার এমন প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি।

মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ এক বিবৃতিতে বলেন, দেশে বিটিএস রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার। সেখানে মাত্র ৭০টি পরীক্ষা করেছে বিটিআরসি। মোট বিটিএসের হিসেবে যা মাত্র শূণ্য দশমিক ২১ শতাংশ। ফলে এখনই সব টাওয়ারকে শতভাগ নিরাপদের দাবি করা কোনোভাবেই সঠিক হয়নি।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মোবাইল টাওয়ার ও মোবাইল ফোন থেকে নিঃসৃত অতি মাত্রার গামা রশ্মিকে (রেডিয়েশন) জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ঘোষণা করে। এ বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন নন আয়োনাইজিং রেডিয়েশন প্রটেকশন (আইসিএনআইআরপি) গঠন করা হয়। এই কমিশন ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন (ইএমআর) অথবা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (আরএফ) নিয়ন্ত্রণের জন্য দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। ওই কমিশনের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে। কিন্তু সে নীতিমালা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী বিটিএসের নূন্যতম উচ্চতা ৪০০ মিটার হতে হবে। জনবহুল এলাকায় বিটিএস স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু আমাদেশে বাড়ির ছাদ, বাণিজ্যিক ভবনসহ যত্রতত্র ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিটিএস বসানো হয়েছে।

মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি আরো বলেন, মোবাইল ফোন অপারেটরদের আয়োজিত সোমবারের অনুষ্ঠানে বিটিআরসি যে সমীক্ষা প্রকাশ করেছে তার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আমরা মনে করি, আইসিএনআইআরপিকে সম্পৃক্ত করে বড় পরিসরে এ ব্যাপারে সমীক্ষা ও প্রয়োজনীয় গবেষণা প্রয়োজন। নইলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেই যাবে।

নকি