দুদকের পরিচালক হলেন প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য

আগের সংবাদ

রাজনীতি খুবই লাভজনক ব্যবসা

পরের সংবাদ

খালেদার মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে আদালত

ঢাবি প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০ , ৭:১৩ অপরাহ্ণ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আদালতই সিদ্ধান্ত নেবেন। আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) কতৃক আয়োজিত ‘জঙ্গী অর্থায়ন প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে জঙ্গিরা হলি আর্টিজেন হামলা চালিয়েছিল। এদেশের জনগণ কখনও জঙ্গীবাদকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়নি তাই আমরা জঙ্গিবাদকে অনেকাংশে দমন করতে সমর্থ হয়েছি। আমাদের যুবকরা জঙ্গিবাদের উপর যে গবেষণা করছে তা আমাদের জন্যে অনেক উপকারে আসবে।’

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে জঙ্গিবাদে বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন। জঙ্গিবাদের মূল হোতাদের খুঁজতে গিয়ে আমরা দেখেছি যে সবাই আমাদের দেশীয় জঙ্গি। তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে এরা আমাদের দেশকে একটি অচল, জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল।

জঙ্গী হামলার বিষয়ে সরকার অনেক সতর্ক রয়েছে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, হুন্ডির মাধ্যমে দেশে জঙ্গি অর্থায়ন হচ্ছে কিনা সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান বাংলাদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ বিষয়ে গবেষণা করতে গেলে প্রথমে যে সমস্যায় পড়তে হয় তা হলো তথ্যের অপ্রতুলতা। কেউ অপরাধীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে না। তাই এই প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে এর উপর গবেষণা করে কোনো রিপোর্ট তৈরী করা খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয়। দক্ষিণ এশিয়াতে টেররিজমের যে বৈশিষ্ট্যের যে বিচিত্রতা রয়েছে। জঙ্গিরা মূলত ধর্মকে পুঁজি করে চাঁদা তোলার মাধ্যমে জঙ্গিবাদের অর্থায়ন করে থাকে। তবে জেএমবিরা শুরু থেকেই ক্রিমিনাল অ্যাকটিভিটিসের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, অর্থ দান করার আগে আমাদের জেনে নিতে হবে এটার ব্যয়ের খাত আসলে কি। এটা করতে পারলে আমরা জঙ্গিবাদের অর্থায়ন বন্ধ করতে পারবো। চ্যারিটি ফান্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে একটি অংশ টেররিজম খাতে ব্যাবহার করে। আর টেররিজমের সাথে জড়িত অনেকেই স্বচ্ছল পরিবারের যারা তাদের পরিবার থেকেই অর্থ এনে সন্ত্রাসবাদের কাজ ব্যবহার করে। আরেকটা অংশ চাকুরির থেকে পাওয়া বেতনের একটা অংশ এই ফান্ডে দিয়ে থাকে।

দক্ষিণ এশিয়াতে জঙ্গীবাদের অর্থায়নের মূল উৎসগু চিহ্নিতকরণ ও তা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের উপরে ‘দক্ষিণ এশিয়াতে উগ্র সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন : বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানের উপর একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ’ এর উপর একটি গবেষণার অভিসন্দর্ভ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নাহিয়ান রেজা সাবরিয়েত। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।

নকি