বীরদের বরণ, উষ্ণ সংবর্ধনা

আগের সংবাদ

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব আবাসন

পরের সংবাদ

মো. শাহ আজিজ

কিশোর অপরাধে সামাজিক আন্দোলন

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০ , ৬:৩৭ অপরাহ্ণ

শিশু-কিশোররা একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। কোনো দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সে দেশের শিশু-কিশোরদের ওপর। তাই তাদের সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে দেয়া এবং নৈতিক শিক্ষা দেয়া আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশের অধিকাংশ শিশু-কিশোর সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারছে না এবং তাদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষার অভাব লক্ষণীয়। যার দরুন আমাদের সমাজে দিন দিন কিশোর অপরাধীর সংখ্যা বাড়ছে। আজকাল পত্রিকা খুললে দেখা কিশোরদের অপরাধের খবর। কিছুদিন আগে দেখলাম চারজন কিশোর একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে ফেসবুকে লাইভে আসছে। নৈতিক শিক্ষার কতটা অভাব হলে মানুষ এ ধরনের কাজ করতে পারে তা আজকে ভাবার বিষয়।

এছাড়া কিশোররা বর্তমানে নিজেদের গ্যাং নামক সংস্কৃতির সঙ্গে জড়াচ্ছে। এই গ্যাংগুলো বিভিন্ন অপরাধ করছে। যেমন- চাঁদাবাজি, স্কুলগামী ছাত্রীদের ইভটিজিং, অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালানো, একদলের সঙ্গে অন্য দলের হাতাহাতি, মারামারি। এমনকি খুনের মতো জঘন্য অপরাধ করছে তারা। এগুলো চলতে থাকলে সমাজ হয়ে যাবে স্থবির। দেশকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এ সমস্যা মহামারি আকার ধারণ করার আগেই একে প্রতিহত করতে হবে। তাই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কিশোরকে অপরাধ করতে দেখে ওই ব্যক্তি সরাসরি তাকে বাধা দেবে। তারপর কিশোরকে বোঝাতে হবে সে যে কাজটা করছে তা একটি অপরাধ এবং বিষয়টি অপরাধীর পরিবারকে অবহিত করতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে ছোটবেলা থেকে ধর্মীয় শিক্ষা দিতে হবে, তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। ছেলে কাদের সঙ্গে চলাফেরা করছে তার খোঁজ নেয়া এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ না দেয়া।

যেসব এলাকায় কিশোর অপরাধ বেশি হয় সেখানে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সভা-সমাবেশের আয়োজন করতে হবে। যারা কিশোরদের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। স্কুলে নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে।

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

এসআর