সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

আগের সংবাদ

ঢাকা সিটি ভোটে ব্যয়ের হিসাব দেবার শেষ সময় ২ মার্চ

পরের সংবাদ

চীনাদের ছুটি বাড়লে পদ্মা সেতু প্রকল্পে সমস্যা হতে পারে 

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০ , ৫:০০ অপরাহ্ণ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের যেসব চীনা কর্মী দেশে গেছেন, তাদের ছুটি প্রলম্বিত হলে প্রকল্পের অগ্রগতিতে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে অন্যান্য প্রকল্পে এর প্রভাব পড়বেনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর প্রধান এবং প্রকল্প পরিচালকদের নিয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালাচনা ও নাগরিক সেবা প্রদান বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন কাদের।

পদ্মা সেতুর অগ্রগতির বিষয়ে কাদের বলেন, সেতুর অগ্রগতি ৭৭ ভাগ, মূল সেতু ৮৬ ভাগ। স্প্যান বসেছে ২৩টি। কর্মরত চীনা নাগরিক ৯৮০ জন। বাইরে আছে ৩৩২জন। ফিরে আসা ৩৩ জনের মধ্যে ৮ জন কোয়ারেন্টাইন মুক্ত। যদি দুই মাসে এই অবস্থার অবসান হয় তাহলে প্রকল্পে অসুবিধা হবে না। কাজ চলতে থাকবে। আগামী ১০ তারিখ ২৪ নম্বর স্প্যান বসবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ওদের অনুপস্থিতিতে আপাতত সমস্যা হচ্ছে না। দুই-আড়াই মাস হতে পারে। তবে জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিকূল পরিস্থিতি না হলে সব কয়টি স্প্যান বসানো হবে। সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি পদ্মা সেতুতে। সেতুর দুই প্রান্তে মাওয়া ও জাজিরা এ্যাপ্রোচ রোড সম্পূর্ণ হয়েছে। এটি উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় চাওয়া হয়েছে।

উড়াল সেতুর অগ্রগতি বিষয়ে তিনি বলেন, ফান্ড সমস্যা নেই। প্রথম ফেইজের অগ্রগতি ৫৫ ভাগ। চাইনিজ ২০ জন, ছুটিতে ১৮ জন। মোট কর্মরত ৩৮ জন। এখানে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। বিআরটি প্রকল্পে চীনা ৭২ জন। ১জন ছুটিতে। সেতু বিভাগে এলিভেটেড অংশে অগ্রগতি ২০ ভাগ। কাজ শেষ ২০২১ সালে। মেট্টোরেল প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৪২ভাগ। উত্তরা থেকে আগারগাঁও ৬৮ ভাগ। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল ৩৬ ভাগ। এখানে চীনা ৫৮ জন। ছুটিতে ৩১ জন। এসেছে ১ জন।

কাদের বলেন, যেসব ঠিকাদার সময়মত কাজ শেষ করবে না, ধীরগতি। তাদের চূড়ান্ত নোটিশ দিয়ে কার্যাদেশ বাতিল করা হবে, প্রয়োজনে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।

ডিসি