মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে ব্যর্থ জাতিসংঘ

আগের সংবাদ

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আগুন

পরের সংবাদ

এত বক্তৃতা শুনতে ভালো লাগে নাই

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০ , ৮:৪৪ অপরাহ্ণ

বিল পাশে বিরোধী সদস্যদের সমালোচনার জবাব দিতে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, এত বক্তৃতা শুনতে ভালো লাগে নাই। আপনারা একসময় দায়িত্বে ছিলেন, কী কাজ করেছেন? পৃথিবীতে কোথায় কী হচ্ছে, জানা দরকার। বাংলাদেশ অন্য দেশের কাছে দৃষ্টান্ত। আপনারা বলছেন, ব্যাংক, শেয়ারবাজার সব খালি করে ফেলেছি। আপনাদের সময় পুঁজিবাজার কী ছিল? আপনাদের সময় ইনডেক্স কী ছিল? এবার সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা।

বুধবার(৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থ জমা প্রদান বিল-২০২০ পাশের সময় বিরোধীদের তীব্র বিরোধীতা ও ব্যক্তিগত আক্রমনের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, একবার চিন্তা করে দেখেন। সাইফুর রহমান চ্যার্টার্ড একাউন্টেন্ট ছিলেন। আমিও তাই। আমি সারাবিশ্বের এক নম্বর অর্খমন্ত্রী। পারসোনাল লেভেলে কথা বলবেন, এটা ঠিক নয়। আমিও অনেক কিছু বলতে পারি। সবার বিষয়েই আমি জানি।

দেশের অর্থনীতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, একমাত্র রপ্তানি বাণিজ্য নেগেটিভ। এটা ছাড়া একটি খাতও নেই আমরা পিছিয়ে আছি। সবাই মনে করে বিশ্ব ব্যাংক, এডিবি, জেপি মর্গান সবাই মনে করে জিডিপি আট ভাগের কম হবে না।
রাজস্ব আয়ে ঘাটতির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ভ্যাট আইন নিয়ে আশাবাদী ছিলাম। বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আংশিক ভ্যাট মেশিন এনেছে। বাস্তবায়ন শুরু করতে পারিনি। রাজস্ব আহরণ কম বলছেন। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯৭ হাজার বছরের শেষে পুরোমাত্রায় আদায় হবে। নেগেটিভ থাকবে না। কারণ আমাদের সৎ ও শক্ত প্রধানমন্ত্রী আছেন।

বিলের বিরোধিতাকারী উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য এক। পিছিয়ে পড়ে থাকা মানুষকে মূল স্রোতে নিয়ে আসা। যত বড় ব্যবসায়ী তত বেশি ট্যাক্স দিচ্ছে। আইন সেভাবেই সাজানো। এ ধরনের আইন নতুন নয়। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন দশম সংসদে পাস হয়েছে। সেখানে এ ধরনের কথা বলা হয়েছে। একাদশ সংসদে উদ্ভিদের জাত সংরক্ষণ আইনে একই ধরনের কথা বলা হয়েছে। সরকারের কোষাগারে অর্থ জমা না পড়লে শৃঙ্খলা আসবে না।

তিনি বলেন, টাকা পাচারের সংখ্যা কি বলতে পারছি? তাহলে জানি কিভাবে? আমি কি পার্টনার? তাহলে তো হয় অভিযোগ করতে হবে, না হলে আদালতে সাক্ষ্য দিতে হবে। এই মুহূর্তে কতজন ব্যাংকার, কর্মকর্তা জেলে আছে, জানা দরকার। যারা অন্যায় করেছে বিচারে নিয়ে যাব।

২০১০ সালের পর থেকে পুঁজিবাজার মোটামুটি স্থিতিশীল আছে দাবি করেই অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজার আরও ভালো করা উচিৎ। যে জায়গায় থাকা উচিৎ, সেখানে নেই।

ডিসি