জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও অনিশ্চিত মুশফিক!

আগের সংবাদ

‘থাপ্পড়’ নিয়ে আসছেন তাপসী

পরের সংবাদ

পাইওনিয়ার লিগে বারবার বিরতিতে দলগুলো হতাশ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০ , ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

ফুটবলার তৈরির অন্যতম পাইপলাইন হলো পাইওনিয়ার ফুটবল লিগ। তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় উঠে আসার এই লিগই অনিয়মিত! সর্বশেষ ২০১৭ সালে মাঠে গড়ালেও, পরের বছর আর হয়নি। তবে ২০১৯ সালের অক্টোবরে লিগ আলোর মুখ দেখলেও তা শেষ করা নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। লিগ আদৌ শেষ হবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

লিগ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪ দফা বন্ধ হয়েছে। এই লিগের প্রথম পর্বে ৭১ দল অংশ নেয়। প্রাথমিক পর্ব শেষে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব শুরু হতে না হতেই গত ২১ জানুয়ারি লিগ স্থগিত হয়ে যায়। তিন দিনেই শেষ আটের এই ৪টি ম্যাচ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু প্রথম দিন দুটি ম্যাচের পরই অদ্ভুতভাবে বাকি দুটি ম্যাচ স্থগিত হয়ে যায়। সেই ম্যাচ আবার কবে হবে কেউ জানে না। পাইওনিয়ারের ডেপুটি চেয়ারম্যান ও বাফুফে সদস্য অমিত খান শুভ্র বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ায় আমরা রেফারি পাচ্ছি না। বাফুফে যেহেতু সেই টুর্নামেন্টটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বেশি আমাদের তাই অপেক্ষা করতেই হচ্ছে। আমাদের প্রধান সমস্যা মাঠ। এ ছাড়া নানা কারণে লিগ স্থগিত করতে হচ্ছে। তবে চেষ্টা করব দ্রুত লিগ শেষ করে দেয়ার।’

অক্টোবরে লিগ শুরুর পর তিনটি ম্যাচ হয়েই জেএসসি পরীক্ষার কারণে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল দেড় মাস। এরপর প্রথম রাউন্ড শেষে আবার দুই সপ্তাহের বিরতি। সুপার লিগ শেষ করে খেলা বন্ধ আরো দিন দশেক। সব মিলিয়ে প্রথমবার পাইওনিয়ারে খেলতে আসা এফসি উত্তরবঙ্গের সাধারণ সম্পাদক জালাল হোসেন হতাশ। তিনি বলেন,‘পাইওনিয়ার লিগে প্রথমবার খেলতে এসে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো হলো না। এভাবে চললে ভবিষ্যতে দল গড়ার সাহস করব না। এরপর যদি আসি তাহলে আগে জানতে চাইব, কত সময়ের মধ্যে লিগ শেষ হবে।’

জালাল হোসেন আরো বলেন,‘বারবার বিরতিতে আমাদের আর্থিক ক্ষতি হয়। আসা-যাওয়া ছাড়াও ক্যাম্প খরচ অনেক বেড়ে যায়। এমনিতেই উত্তরবঙ্গ অবহেলিত জনপদ। তার মধ্যে থেকেই ফুটবলার তুলে আনার চেষ্টা করছি। আসন্ন মেয়েদের লিগেও যদি এভাবে বারবার বিরতি পড়ে তাহলে সর্বনাশ!’

মেয়েদের ফুটবল লিগ এরই মধ্যে শুরুর তারিখ ঘোষণা করেই পিছিয়েছে এক দফা। এই পেছানোর সংস্কৃতি অবশ্য ফুটবলের শীর্ষ পর্যায় থেকেই। ফুটবলপ্রেমীসহ সমগ্র দেশবাসীর প্রত্যাশা দেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ সংস্থা এই সংস্কৃতিতে থেকে বেরিয়ে আসবে।

ডিসি