হরতালে বিজিবির টহল

আগের সংবাদ

চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ

পরের সংবাদ

টেনিসের নতুন রানি সোফিয়া

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২০ , ১:৩৫ অপরাহ্ণ

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে শনিবার মেয়েদের এককের ফাইনালে স্প্যানিশ টেনিসার গারবিন মুগুরুজাকে ৪-৬, ৬-২, ৬-২ সেটে হারিয়ে শিরোপা জেতেন আমেরিকান টেনিসার সোফিয়া কেনিন। এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ারে প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম শিরোপা জয়ের স্বাদ পান তিনি। যার ফলে টেনিস বিশ্ব পেল তার নতুন রানিকে।

অন্যদিকে শনিবার ক্যারিয়ারের তৃতীয় গ্র্যান্ডস্লামের লক্ষ্যে খেলতে নামেন গারবিন মুগুরুজা। তিনি ২০১৬ সালে ফেঞ্চ ওপেন ও ২০১৭ সালে উইম্বলডন ওপেনের শিরোপা জেতেন। ২০১৭ সালের পর আর কোনো গ্র্যান্ডস্লামের শিরোপার ফাইনালে উঠতে পারেননি তিনি। ৩ বছর পর আবার ফাইনালে উঠে তাকে রানার্সআপের শিরোপা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

১৯৬৮ সালের পর এবারই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে না থাকা ২ টেনিসার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে নামেন। এই লড়াইয়ে বিজয়ী হয়ে মাঠ ছাড়েন কেনিন। মেয়েদের টেনিসে বর্তমানে ১৫তম স্থানে রয়েছেন সোফিয়া কেনিন। অন্যদিকে মুগুরুজা রয়েছেন ৩৬ নম্বর স্থানে। তবে এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে এখন র‌্যাঙ্কিংয়ে আরো উপরের দিকে উঠে আসবেন কেনিন।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে কেনিন ও মুগুরুজা দুজনের কাউকেই ফাইনালিস্ট হিসেবে ভাবতে পারেনি কেউ। এরফলে হয়ত ফাইনালের উত্তেজনাটাও একটু কম ছিল দর্শকদের মধ্যে। অন্য সময় যেখানে ফাইনাল ম্যাচে দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় থাকে সেখানে গতকাল ৫০০র বেশি আসন খালি ছিল। অবশ্য ফাইনাল ম্যাচের স্থান মেলবোর্নে গতকাল ছিল প্রচণ্ড বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে ছাদ বন্ধ করে খেলা চালানো হয়। এর কারণেও হয়ত স্টেডিয়ামে দর্শক কম এসেছিল। কিন্তু গ্যালারির আসন খালি থাকলেও ম্যাচটিতে উত্তেজনার কোনো কমতি ছিল না। দুজনের লড়াইয়ে প্রথম সেটটি জিতে নেন মুগুরুজা। কিন্তু পরের সেটেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান কেনিন। এরপর তৃতীয় সেটটিতেও আধিপত্য দেখান ২১ বছর বয়সী আমেরিকান টেনিসার।

এদিকে এই জয়ের মাধ্যমে নিজের স্বপ্নপূরণ হয়েছে বলে জানান সোফিয়া কেনিন। ম্যাচশেষে কেনিন বলেন, ‘আমার স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। যদি আপনার কোনো স্বপ্ন থাকে। এটির জন্য পরিশ্রম করুন। স্বপ্ন সত্যি হবেই। আমিও এই দিনটির জন্য অনেক পরিশ্রম করেছি। তার ফল পেলাম’।

সোফিয়া কেনিন আমেরিকান নাগরিক হলেও তার পূর্ব পুরুষরা বাস করেন রাশিয়ায়। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে রাশিয়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি জমান তার মা। এরপর আমেরিকাতেই বেড়ে ওঠেন তিনি। কেনিন মাত্র ৫ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো টিভিতে আসেন টেনিসে তার অসাধারণ প্রতিভার জন্য। সেই প্রতিভার ফল তিনি পেয়েছেন ২১ বছর বয়সে এসে।

এমএইচ