চীন থেকে বাংলাদেশিরা ফিরবে ১৪ দিন পর

আগের সংবাদ

ঋণখেলাপিরা বড় নিষেধাজ্ঞায় আসছেন

পরের সংবাদ

চীনে অবস্থানরতদের ফেরানো ঠিক হবে না

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ২৮, ২০২০ , ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ

চীনে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের এখন দেশে ফিরিয়ে আনা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক। সেইসঙ্গে খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া চীনে যাতায়াত না করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়নি। এখনো বাংলাদেশে প্রাণঘাতি এই ভাইরাস প্রবেশ করেনি। সরকারের তরফ থেকে আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সোনারগাঁও হোটেলে কলেরা ও পুষ্টি বিষয়ক এশিয়া সম্মেলনের (অ্যাসকড) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন তিনি। সকালে আইসিডিডিআরবি আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। নতুন নতুন অনেক স্বাস্থ্য সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। অপুষ্টিজনিত সমস্যার কারণে শিশুদের স্বাস্থ্য সমস্যা কাটানো যাচ্ছে না। কলেরা-ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে আইসিডিডিআরবি বিস্ময়কর অবদান রেখে চলছে। যা বিশ্বে প্রসংশিতও হয়েছে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সচিব (সেবা) মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক জন ডি ক্লেমনস, অ্যাসকডের সভাপতি আইসিডিডিআরবি’র সিনিয়র বৈজ্ঞানিক ড. ফেরদৌসী কাদরী, অ্যাসকডের সাবেক সভাপতি ও ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের সাবে মহাসচিব অধ্যাপক ডা. নির্মল কে গাঙ্গুলী, সুইডেনের গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন হলমর্গ্যান প্রমুখ।

তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এই সম্মেললে ১৮টি দেশের ৪৫টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী, গবেষক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং নীতি নির্ধারক এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনে চারটি বিশেষ সিম্পোজিয়াম রাখা হয়েছে, সেগুলো হল- টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন: এশিয়া ও আফ্রিকাতে ব্যবহারের সম্ভাবনা।, ২০৩০ সালের মধ্যে কলেরা নির্মূলকরণ: উদ্যোগ এবং চ্যালেঞ্জ।, এনভায়রনমেন্টাল এন্টারোপ্যাথি, আন্ত্রিক মাইক্রোবায়োটা এবং শৈশবকালীন অপুষ্টি, এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ এবং আন্ত্রিক সংক্রমণের চিকিৎসার ওপর এর প্রভাব।

ডিসি/ এসআর