প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেলো বাংলাদেশ

আগের সংবাদ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ

পরের সংবাদ

কামরাঙ্গীচরে বিদ্রোহী প্রার্থীর ওপর হামলা

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ২৪, ২০২০ , ৭:২২ অপরাহ্ণ

ঢাকা দক্ষিন সিটি (ডিসিসি) কর্পোরেশন ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) কাউন্সিলর প্রার্থী মো. সাইদুর রহমান রতনের কর্মীদের ওপর হামলা করাসহ নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) কামরাঙ্গি চরে এ ঘটনা এ ঘটনা ঘটে।

কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুর রহমান রতন অভিযোগ করে জানান, ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার রাতে কুড়ার ঘাট এলাকায় তার ৮-১০ জন কর্মী ঠেলাগাড়ি মার্কার পোস্টার লাগাতে গেলে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. হোসেনের লোকজন তাদের উপর হামলা করে। এতে তারা আহত হন তিনি। পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার পর শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুরের রনী মার্কেট এলাকায় তার পূর্ব নির্ধারিত জন সংযোগ করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি যাওয়ার আগেই খবর পান মোহাম্মদ হোসেনের ৭০-৮০ জন কর্মী লাঠিসোটা ও ইট পাথর নিয়ে হামলা করার জন্য অপেক্ষা করছেন। পরে রতন কামরাঙ্গীর চর থানার ওসি মশিউর রহমানকে বিষযটি জানালে তিনি ওই এলাকায় প্রচারনায় না গিয়ে অন্য এলাকায় তাকে প্রচারণায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তিনি খালপাড় এলাকায় প্রচার চালাতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে হটাৎ তার কর্মীদের উপর হোসেনের লোকজন হামলা করেন। এবং তার নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়। রতন জানান, পুলিশের সামনেই তার কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি মামলা করতে চাইলেও পুলিশ মামলা নিতে চাইছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি মোবাইল ফোন ধরেননি। এদিকে গত বুধবার গভীর রাতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের বেরাইদে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সে সময় দুপক্ষের ৯ জন আহত হন বলেও জানা গেছে। বাড্ডা থানার ওসি পারভেজ ইসলাম জানান, কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম (লাটিম মার্কা) ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী স্থানীয় সংসদ সদস্য রহমত উল্লাহর ভাগ্নে আইয়ুব আনছারের মিন্টুর (ঘুড়ি মার্কা) সমর্থকদের মধ্যে মারামারি হয়। দুই পক্ষ একে অপরের আত্মীয় হলেও নির্বাচনকে ঘিরে তাদের এক পক্ষ লাটিম ও অপর পক্ষ ঘুড়ি প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালান। নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরেই তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বিষয়টি দুই প্রার্থীর কেউই আগে থেকে অবগত ছিলেন না। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি বলেও জানান ওসি।

এসএইচ