ইউনেস্কোসহ ১৫০ দেশে পালিত হবে মুজিববর্ষ

আগের সংবাদ

বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঢেঁকি

পরের সংবাদ

শেয়ারবাজারে দরপতন

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২০ , ৬:১৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২০ , ৬:১৬ অপরাহ্ণ

দরপতন চলছেই শেয়ারবাজারে। দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রবণতা চলছে। কয়েক লাখ বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যেই শেয়ার মার্কেটে তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। সর্বশেষ ৮ কার্যদিবসের মধ্যে ৭ দিনই শেয়ারের বড় দরপতন হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৪০০ পয়েন্টের ওপর। এর মধ্যে শুধু মঙ্গলবারই কমেছে ৮৭ পয়েন্ট। এতেই ফুঁসে ওঠেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান বাজারের যে অবস্থা তাতে বলা যায়, বাজারের ওপর আস্থা প্রতিনিয়ত হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আর তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সূচকে। তাই দেশের উন্নতির স্বার্থেই শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। তার জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা, নীতিমালা এবং গাইডলাইন। জানা গেছে, ২০১০ সালে ধসের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ফিরেছে শেয়ারবাজার। এতে ঋণগ্রস্ত বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীর পত্রকোষ বা পোর্টফোলিও জোরপূর্বক বিক্রি বা ফোর্সড সেলের আওতায় পড়েছে। কেবল গত এক বছরের ব্যবধানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা।

এমতাবস্থায় দেশের আর্থিক খাতে সুশাসনের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। ব্যাংক খাতের ‘নন-পারফর্মিং লোন’ বেড়ে গেছে। যে কারণে তৈরি হয়েছে তারল্য সংকট। এর প্রভাব পড়ছে শেয়ারবাজারে। শেয়ারবাজারে গতি ফেরাতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু ছাড় দিলেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না। উল্টো পতনের বাজারে লেনদেন খরা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সর্বশেষ পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট নিরসনে সরকারি ৪ ব্যাংককে বিনিয়োগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পদক্ষেপ নেয়ার আহŸান জানানো হয়েছে। আমরা আশাবাদী হতে চাই। এর আগে দেখেছি, সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিএসইসি) নানা উদ্যোগ নিয়েও বাজার ন্যূনতম স্থিতিশীল রাখতে পারেনি। কারণ সরকারের নানা আশ্বাসে ভরসা পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। শেয়ারবাজারে যে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং তা ফেরাতে হবে। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার স্বার্থেই পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে হবে। শেয়ারবাজারের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাজ থেকে পরামর্শ নিতে হবে। মোটকথা, জেনে-বুঝেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে। মানুষ আশা করে, সংকট কাটিয়ে শেয়ারবাজার আবারো চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়