পাটক্রয়ে বিজেএমসির কাছে পাওনা ৪১৭ কোটি টাকা

আগের সংবাদ

আরেক যুদ্ধাপরাধীর কবলে যুক্তরাষ্ট্র?

পরের সংবাদ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী-সাঈদ খোকনের এপিএসকে তলব

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১৪, ২০২০ , ৭:২০ অপরাহ্ণ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকনের এপিএস শেখ কুদ্দুস ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেকের এপিএস ড. মোহাম্মদ আরিফুর রহমান শেখকে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) পৃথক নোটিস পাঠিয়ে তাদের দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। বিষয় নিশ্চিত করেছে দুদকের জনসংযোগ দপ্তর।

বিতর্কিত ঠিকাদার জিকে শামীম সংশ্লিষ্টতা, ক্যাসিনো ব্যবসা ও বিদেশে অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে মেয়র সাঈদ খোকনের এপিএস শেখ কুদ্দুসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া বিদেশে প্রশিক্ষণের নামে অর্থ লোপাট এবং বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়াসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ড. মোহাম্মদ আরিফুর রহমান শেখকে।

দুদক সূত্র জানায়, সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের সই করা চিঠিতে শেখ কুদ্দুসকে আগামি ২১ জানুয়ারি হাজির হতে বলা হয়েছে। নোটিসে বলা হয়, ঠিকাদার জিকে শামীমসহ বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রভাবশালীদের শত শত কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্যাসিনো ব্যবসা ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে আপনার বক্তব্য প্রদান করতে হবে।

এদিকে, দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলমের সই করা নোটিশে ড. মোহাম্মদ আরিফুর রহমান শেখকে আগামী ২০ জানুয়ারি হাজির হতে বলা হয়েছে। তাকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদেশে প্রশিক্ষণের নামে অর্থ লোপাট এবং বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়াসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আপনার বক্তব্য প্রদান করতে হবে।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত ২০টি মামলা দায়ের করে দুদক। কমিশনের পরিচালক সৈয়দ ইকবালের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

অপর সদস্যরা হলেন- উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সালাহউদ্দিন আহমেদ, গুলশান আনোয়ার প্রধান, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম, আতাউর রহমান ও মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী।

এনএম