সংসদ থেকে ওয়াকআউট করলো বিএনপি

আগের সংবাদ

বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে যৌথ চুক্তি

পরের সংবাদ

শ্রীনগরে এক রাস্তার ইটে তৈরি হল অন্য রাস্তা 

শ্রীনগর (প্রতিনিধি) প্রতিনিধি:

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১৪, ২০২০ , ৮:৫১ অপরাহ্ণ

শ্রীনগর উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণখোলা-মালিবাগান পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তার কয়েক লাখ ইট উঠিয়ে একই ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের তাজউদ্দিন মৌলভীর বাড়ি থেকে নাছির বাবুর্চির বাড়ি পর্যন্ত ৭৭৫ ফুট রাস্তায় (এইচবিবি পদ্ধতি) ইট বিছানোর অভিযোগ উঠেছে। ইট না থাকায় বেহাল হয়ে পরেছে ব্রাহ্মণখোলা-মালিবাগান রাস্তাটি। চলা ফেরায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

এর আগে গত বছরের এপ্রিল মাসে সরকারি কোনও বরাদ্দ না হলেও ব্রাহ্মণখোলার ওই রাস্তার ইট উঠিয়ে সংস্কার কাজের নামে ইউপি চেয়ারম্যান রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেন। প্রায় দুই বছরেও রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে উঠেনি। অথচ এলজিইডির ওই রাস্তায় ৬৩ লাখ টাকা ব্যায়ে সাড়ে ৩ লাখ ইট সলিংয়ের কাজ করা হয়েছিলো। ইট উঠিয়ে ফেলায় রাস্তাটি এখন কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়েছে। মানুষের চলাচলে প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দ্বে ভরে গেছে প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ সড়কের সংযোগ রাস্তাটি এখন যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী। পুরো রাস্তা জুড়ে উঁচু নিচু ও বড় বড় গর্তে ভরপুর। মাটি ভরাটের আগে এখানে ইট থাকলেও কোথাও কোনও ইটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ব্রাহ্মনখোলা ফিরোজের বাড়ির পাশে একটি জমিতে কয়েক হাজার ইটের একটি স্তুপ দেখা গেলেও আর কোথাও ইটের দেখা মিলেনি।

এসময় স্থানীয় খোরশেদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, এই রাস্তায় আগে ইট বিছানো ছিলো। দুই বছর আগে চেয়ারম্যান রাস্তার কাজ করার সময় ইট উঠিয়ে ছিলো। পরে আর বিছানো হয়নি। ইট কোথায় গেছে জানতে চাইলে পাশের জমিতে একটি ইটের স্তুপ দেখিয়ে দেন তিনি।

একই রাস্তার শেষে দিকে তাইজদ্দিনের বাড়ির সামনে থেকে নাসির বাবুর্চির বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় ইট সলিংয়ের কাজ করা হয়েছে। সূত্র মতে জানাযায়, এলজিএসপির ৮ লাখ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দে ৭৭৫ ফুট রাস্তার কাজ করা হয়েছে। এখানে পুরাতন ও নতুন ইটের ব্যবহার করা হয়েছে। এ সময় সাত্তার মিয়া, বেনু মিয়া, নাজমুল, মো. মিশরের সাথে কথা বলে জানাযায়, গত ৩-৪ মাস আগে এই রাস্তায় ইট বিছানোর কাজ হয়। অন্য রাস্তার কিছু ইট এখানে রয়েছে বলে স্বীকার করেন তারা। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুল আলীমও সত্যতা স্বীকার করেন।

তন্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই রাস্তায় সব নতুন ইটের লাগানো হয়েছে। ব্রাহ্মণখোলার ওই রাস্তার সব ইট সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা প্রকৌশলী আঃ মান্নান জানান, বিষয়টি তার অধীনে নয়। এলজিএসপির বরাদ্দ জেলা পরিষদ থেকে সরাসরি কাজ আসে বলে জানান তিনি।

ডিসি
বিষয়: