তাবিথকে নিরাপত্তা দিতে ডিএমপিকে চিঠি

আগের সংবাদ

ঘন কুয়াশায় শাহজালালে বিমান ওঠানামা বন্ধ

পরের সংবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধ

আপিল বিভাগে কায়সারের মৃত্যুদণ্ড বহাল

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১৪, ২০২০ , ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

যুদ্ধাপরাধে জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের খালাস চেয়ে করা আপিল আবেদনের ওপর সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।রায়ের জন্য আজ মঙ্গলবার মামলাটি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ১ নম্বরে রাখা হয়।

কায়সারের মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে গত ৩ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।

হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনালে কায়সারের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। পরে আসামি পক্ষ আদালতে আপিল করে। ২০১৭ সালের ১৩ অগাস্টের পর ২০১৮ সালের ১০ জুলাই সর্বোচ্চ আদালতে এ মামলার আপিলের শুনানি শুরু হয়।

তার বিরুদ্ধে সাঁওতাল নারী হীরামনি ও অপর নারী মাজেদাকে ধর্ষণের অপরাধ দু’টি প্রমাণিত হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের মধ্যে কায়সারই প্রথমবারের মতো অন্য অপরাধের পাশাপাশি ধর্ষণের দায়ে ফাঁসির দণ্ড পান। একাত্তরে ১৫২ জনকে হত্যা-গণহত্যা, দুই নারীকে ধর্ষণ, পাঁচজনকে আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় এবং দুই শতাধিক বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন ও ষড়যন্ত্রের ১৬টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগের মধ্যে ১৪টিই প্রমাণিত হয়। অভিযোগ রয়েছে- মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘কায়সার বাহিনী’ গঠন করে হবিগঞ্জ মহকুমার রাজাকার কমান্ডার ও শান্তি কমিটির সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার। এরমধ্যে ৩, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এছাড়া ১, ৯, ১৩ ও ১৪ নম্বর অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ২ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর, ৭ নম্বরে সাত বছর ও ১১ নম্বরে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ৪ ও ১৫ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ অভিযোগগুলোতে কোনও সাজা দেওয়া হয়নি তাকে।

এমএইচ