ঘুরে দাঁড়ানোর এখনই সময়

আগের সংবাদ

নৌদুর্ঘটনা এখন নিয়তি, দায় নেয় না কেউ

পরের সংবাদ

বিএনপি মানে ‘বাংলাদেশ নেগেটিভ দল’

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১৪, ২০২০ , ৭:৫৩ অপরাহ্ণ

জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব ওর্ডারে দাড়িয়ে আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বিএনপির সমালোচনা করে বলেছেন, এ দলটি সব কিছুতেই নেগেটিভ দেখে। তা সে রাজনীতিতেই হোক আর নির্বাচনে হোক। তাই বিএনপি মানে- ‘বাংলাদেশ নেগেটিভ দল’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব ওর্ডারে বিএনপির এমপি হারুনুর রশীদের ‘নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল কারচুটি করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নির্বাচন সম্ভব নয়’ এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।

সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাড়িয়ে হারুন প্রশ্ন তুৃলে বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়েছে। কিন্তু এখানে এখনই বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলা হচ্ছে। প্রচারে বাধা দেয়া হচ্ছে। এমপি মন্ত্রীদের প্রচারে যাওয়া সিইসি নিষেধ করলেও তারা প্রচার করছেন। নির্বাচনী আইন মানছেন না। এমন অবস্থায় কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি। এসময় তিনি চট্টগ্রাম-৮ আসনের নির্বাচনের মাত্র ২০ শতাংশের মত ভোট পড়েছে, যাতে ভোট দিতে আগের রাত থেকে বাধা দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর জবাব দিতে গিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিএনপি যতক্ষণ ভোটে না জেতে ততক্ষণ বলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। কারা কত ভোট পাবে, কটা আসন পাবে তা জানেন শুধু খালেদা জিয়া, আর কেউ জানে না। ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া বলেছিলেন আওয়ামী লীগ মাত্র ৩০ টি আসন পাবে। কিন্তু নির্বাচনে দেখঅ গেলে বিএনপিই পেয়েছে ৩০টি আসন। আমরা কিন্তু কোন নির্বাচন খারাপ হয়েছে সুষ্ঠু হয়নি কারচুপি হয়েছে তা বলিনি। তারা ৫ সিটিতে বিজয়ী হয়। আমরা মেনে নিয়েছি। কিন্তু যতক্ষণ না বিএনপি জেতে ততক্ষণ তারা বলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। বিএনপির ট্রাডিশন হচ্ছে- বলা নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি, নির্বাচন নিয়ে গন্ডোগোল পাকান। আগে থাকতে নির্বাচনের প্রতি একটা বিরুপ প্রভাব ফেলা।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, সিইসির সঙ্গে আমরা বৈঠক করি, তিনি বলেছেন, আপনারা যারা এমপি মন্ত্রী তারা নির্বাচনে প্রচার করতে পারবেন না। ভোট চাইতে পারবেন না। আমরা ভোট চাইব না। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাই না। তবে আমরা মুজিব বর্ষের প্রচার বা বক্তব্য দিতে পারবো।

তিনি বলেন, এটা আইন নয়, এটা একটা বিধিমালা। সিইসি আমাদের প্রচারে যেতে নিষেধ করেছেন। আমরা যাব না। তবে বিএনপির সাবেক মন্ত্রী এমপিরা যদি প্রচারে যেতে পারেন আমরা কেন যেতে পারবো না। আমরা সিইসিকে বলেছি, আমরা এ বিধিকে বদলাতে আসেনি। আমরা সরকারী দলের লোক, এটা বদলালে লোকের মনে একটা বিরুপ প্রভাব পড়বে। বিধিতে যা আছে তাই মেনে নেব। তবে আমরা মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সভায় বক্তব্য দিতে পারবো, রাজনৈতিক বক্তব্য দিব, ভোট চাইবো না। অন্যরা ভোট চাইবে। এবিষয়ে এ বিষয়ে মাহবুব তালুকদার ছাড়া অন্য চার কমিশনার একমত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

এবিষয়ে আরেক বর্ষিয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আমীর হোসেন আমু বলেন, বিএনপি নির্বাচনেও যেমন নেগেটিভ, তেমনি রাজনীতিতেও নেগেটিভ। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করাই এ দলটির কাজ। দলটি অবৈধভাবে জিয়াউর রহমান তৈরি করেন এবং অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসে। নির্বাচন নিয়ে আগে ভাগেই প্রশ্নবিদ্ধ করে একটা অপশক্তির সহায়তায় তারা ক্ষমতায় আসতে চেষ্টা করে। জনগণের ওপর তাদের বিশ্বাস নেই। তাই নির্বাচন শুরুর আগেই তারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে গণতন্ত্রকেও হেও করে।

নকি