বড় রাজস্ব ঘাটতির শঙ্কা

আগের সংবাদ

ম্যাচ ফি বাড়ল টাইগারদের

পরের সংবাদ

পায়রায় পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১৪, ২০২০ , ১১:১০ পূর্বাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুধাবি থেকে দেশে ফেরার পর উদ্বোধনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে।

দেশের বিদ্যুৎ খাত আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পায়রায় গতকাল সোমবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন শুরু হয়েছে। সেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে জাতীয় গ্রিডেও। এখন পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন শুরু হলেও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উদ্বোধন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুধাবি থেকে দেশে ফেরার পর উদ্বোধনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদন শুরু হওয়ায় প্রকল্পের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের মাঝে উচ্ছ¡াস দেখা গেছে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মোট ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এই কেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা প্রথম ইউনিট ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে। একই উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি উৎপাদনে আসবে চলতি বছরের মে মাসে। কয়লাচালিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র। ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানির (বিসিপিসিএল) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম খোরশেদুল আলম জানান, সফলভাবে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। বিভিন্ন ধাপে এখন উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করা হয়েছে। আবুধাবি সফর শেষে দেশে ফিরে সুবিধাজনক সময়ে কেন্দ্রটি উদ্বোধন করবেন তিনি।

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাংলাদেশ এবং চীনের সমান অংশীদারিত্ব রয়েছে। রাষ্ট্রীয় নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং চীনের ন্যাশনাল মেশিনারি এক্সপোর্ট এন্ড ইমপোর্ট করপোরেশন (সিএমসি) যৌথভাবে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ১৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। চীনের এক্সিম ব্যাংক ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক শাহ আব্দুল মাওলা জানান, কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালানোর পর পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। প্রথম দিন ১০০ মেগাওয়ার্ট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। আস্তে আস্তে উৎপাদন বাড়ানো হবে।

এমএইচ