নারীর নিরাপত্তায় ‘লিপস্টিক গান’

আগের সংবাদ

আসিফের সঙ্গে গাইলেন মম

পরের সংবাদ

স্বামী দাঁত না মাজায় বিচ্ছেদ চাইলেন স্ত্রী

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১৩, ২০২০ , ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

স্বামীকে ডিভোর্সের প্রশ্নে ঘুরে-ফিরে কয়েকটা বিষয় উঠে আসে। যেমন- শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, ভরণপোষণ দেয় না, যৌতুক ইত্যাদি। তবে এর বাইরেও আরো কিছু বিষয় থাকে যা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। অন্তত ভারতের একটি ঘটনা তাই বলে। স্বামী খুবই অপরিচ্ছন্ন, এই কারণ দেখিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ চেয়েছেন এক নারী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আলোচ্য দম্পতির বসবাস ভারতের বিহার রাজ্যের বৈশালী জেলায়।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারীর নাম সোনি দেবী (২০)। বিহারের বৈশালী জেলার নয়াগ্রামে থাকেন স্বামী মণীশ রামের সঙ্গে। মনের মিলের দিক দিয়ে তাদের কোনো কমতি নেই। তাদের সম্পর্কের অবনতি হওয়ার একটাই কারণ, স্বামীর

অপরিচ্ছন্নতা। মণীশ বরাবরই অপরিচ্ছন্ন। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা কোনো ঋতুতেই গোসল করেন না। সকালে উঠে দাঁত মাজতেও ভীষণ অনীহা তার। সোনি দেবী বলছেন, এভাবে অনেক দিন চলেছে, আর নয়। এই অপরিচ্ছন্ন ব্যক্তির সঙ্গে একই বিছানায় আর থাকতে চাই না। আমি বিচ্ছেদ চাই।

২০১৭ সালে মণীশ রামের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সোনি দেবী। তখনই বুঝতে শুরু করেন, তার স্বামী অন্যদের থেকে একদমই আলাদা, অপরিচ্ছন্ন। সোনি দেবীর অভিযোগ, শুরুতে শাশুড়ির ভয়ে তিনি মাঝে মাঝে গোসল করতেন। সকালে দাঁতও মাজতেন। কিন্তু শাশুড়ি মারা যাওয়ার পর থেকে নিজের ব্যাপারে একেবারই গা ছাড়া দিয়েছেন তিনি। টানা ৮-১০ দিন গোসল করতেন না মণীশ। দাঁত মাজা একেবারেই ছেড়ে দেন। স্বামীকে শুধরানোর কোনো উপায় না দেখে শেষমেষ বাধ্য হয়েই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন সোনি দেবী। মামলায় তিনি বলেন, ও আমার জীবন দুর্বিষহ করে দিয়েছে। আমি মুক্তি চাই।

মামলা করা হয়েছে মহিলা কমিশনে। তবে এখনই হচ্ছে না বিবাহ বিচ্ছেদ। মহিলা কমিশন সোনিকে এখনই বিবাহ বিচ্ছেদ না করার পরামর্শ দিয়েছে। তারা আরো ২ মাস দুজনকে একসঙ্গে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি মণীশকেও বলেছেন, নিয়মিত গোসল ও দাঁত ব্রাশ করার জন্য। এই দম্পতির কোনো সন্তান নেই। এ বিষয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে মণীশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি তার সঙ্গে থাকতে চাই। একই সঙ্গে নিজের জীবনাভ্যাসে পরিবর্তন আনবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তবে কথাগুলো বলার সময় যথেষ্ট নার্ভাস দেখাচ্ছিল তাকে।

এমএইচ