পর্দা উঠল ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের

আগের সংবাদ

হাতিরঝিলে জন্মশতবার্ষিকীর বর্নিল অনুষ্ঠান

পরের সংবাদ

উৎসবে বাউল গান নিয়ে ‘রাঙ্গামাটি ও নীলফামারী

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১১, ২০২০ , ৯:২৫ অপরাহ্ণ

দেশের ৬৪টি জেলা, ৬৪টি উপজেলা এবং জাতীয় পর্যায়ের পাঁচ হাজারের অধিক শিল্পী ও শতাধিক সংগঠনের অংশগ্রহণে ২১ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব চলছে শিল্পকলার একাডেমির নন্দনমঞ্চে। গতকাল রাঙ্গামাটি জেলার শিল্পীরা তাদের পরিবেশনায় বেশ নৈপুণ্য দেখাল। শুরুতে জেলা ব্রান্ডিং ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, ‘হাজার কোটি লাখো কোটি সালাম এবং পাহাড়ী গানের সুরে গানের কথায় ও সম্মেলক নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পী ইশিতা চাকমা, জিনিয়া চাকমা, নিলা চাকমা, মিতা চাকমা, জুলি চাকমা, উষা চাকমা, সুপ্রিয়া চাকমা, সজল ত্রিপুরা, এলিন চাকমা ও ইয়েন ত্রিপুরা। সমবেত সঙ্গীত ‘রাঙ্গামাটির পাহাড়ে’ পরিবেশন করে শিল্পী তিশা দেওয়ান, সেলিমা আফসানা মিম, চৈতি চৌধুরী, প্রতিশা চাকমা, প্রিয় বাবু চাকমা, মঙ্গল বিকাশ চাকমা, পূর্ণ শংকর চাকমা, দিশা ত্রিপুরা, রোমিও ধর এবং প্রত্যয় সেন। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী শ্রী রনজিৎ দেওয়ান এবং উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী রফিক আশিকী। যন্ত্রে পাহাড়ী সুর তোলেন শিল্পী মিলন ধর, সুবল বিশ্বাস, মঙ্গল বিকাশ চাকমা ও ধারস মনি চাকমা। জেলার অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী শ্রী রনজিৎ দেওয়ান।

নীলফামারী জেলার পরিবেশনায় জেলা ব্রান্ডিং ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, ‘বাংলাদেশের শেষ প্রান্তে ছোট্ট একটি নগরী’ এবং ‘নওজোয়ান নওজোয়ান’ গানের কথায় দুটি সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে শিল্পী অসিত কুমার ধর, রত্না বর্ধন, রফিকুল আলম, শাহীন, মাইকেল আন্দ্রিয়, আব্দুর রাজ্জাক বাবু, ফারহানা ইয়াসমিন ইমু, আব্দুল মতিন দয়া, কাকুলি ঋষি, স্বপ্না আক্তার ও জারিন তাসনিম রাবসা । সমবেত নৃত্য রাব্বি আল কাওসার রাজু এর পরিচালনায় ‘কোন দেশে যান মাইষাল বন্ধুরে এবং ও আমার রসিয়া বন্ধুরে গানের কথায় ২টি সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পী রোমান ইসলাম, রিমন হোসেন, তারিকুল ইসলাম, প্রিয়ন্তী দাস, শ্রাবনী চক্রবর্তী, সৃষ্টি রোজারিও, শ্রাবনী মুরমু, মৌ রানী অধিকারী, মিথি রায় ও করবী রায়। একক সঙ্গীত পরিবেশন করে জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী নৌশিন তাবাচ্ছুম স্বরণ এবং উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী আমিনা রহমান বৈশাখী। যন্ত্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী রকিবুল আলম শাহীন, সুকুমার পাল, হৃদয় কুমার দে, সুরেশ চন্দ্র রায় ও ধ্রুব জ্যোতি পাল কাব্য।

এরপরে শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পরিবেশনায় কোরিওগ্রাফি পরিবেশন করেন শিল্পী সাফিন সামিয়া, শুপ্ত, সাফাওয়াত, হিসাম, সিয়াম, অমিত, আফরা, লিথি, মিকি, মুসা, নিলয়,শৈলি, মিকাত ও অর্নব। সাজিদ আকবরের পরিচালনায় সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে গীতাঞ্জলি। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে সৈয়দা শায়লা আহমেদ লীমা’র পরিচালনায় ভঙ্গিমা ডান্স থিয়েটার এবং তামান্না রহামানের পরিচালনায় নৃত্যম নৃত্য সংগঠন।  এছাড়া একাডেমি প্রাঙ্গণে রাত ৮টায় দর্শনীর বিনিময়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় ঐতিহ্যবাহী বাউল গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

এসএইচ