ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

আগের সংবাদ

মজনুর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

পরের সংবাদ

ইজতেমায় নিরাপত্তা বলয়

এবার হেলিকপ্টারের সঙ্গে থাকছে ড্রোনও

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২০ , ১:৪২ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২০ , ২:০১ অপরাহ্ণ

আসন্ন বিশ্ব ইজতেমার নিরাপত্তায় হেলিকপ্টার ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নজরদারী থাকবে বলে জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এর পাশাপাশি থাকবে কার-মোটারসাইকেল-বোট পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমেও বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

ইজতেমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পোশাকধারী র‌্যাব সদস্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক সাদা পোশাকের সদস্যরাও নিয়োজিত থাকবে। দুই পক্ষের দ্বন্দের জেরে যে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেও সতর্ক থাকবে র‌্যাব সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (০৯ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেন, ইজতেমাতে ২৭ টি দেশের বিদেশি নাগরিকসহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লির জমায়েত হবে। আমরা ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারীর কাজ শুরু করেছি। দুই ধাপে ইজতেমার ময়দানে তিন দিন করে আমাদের ডেপ্লয়মেন্ট থাকবে।

গাড়ি-বাইক পেট্রোলিংয়ের পাশাপাশি তুরাগ নদীতে স্পীডবোটের মাধ্যমে বোট পেট্রোলিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া, আকাশপথে দুইটি হেলিকপ্টারের পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারী রাখা হবে।

তিনি বলেন, র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সুইপিং টিম এবং ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত থাকবে। যে কোনো আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের ফোর্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বক্ষণিক তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। কোথাও ঝুঁকি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ইজতেমার দুই পক্ষের সঙ্গেই আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। আমরা সতর্ক রয়েছি। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নানা ধরণের গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মনিটরিং করা হবে।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, পুরো ইজতেমা ময়দান সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং এবং রেকর্ডিং করা হবে। ইজতেমার বাইরের সড়কে ৮ টি পোস্ট স্থাপন করে ইজতেমায় আগত মুসল্লি এবং যানবাহন তল্লাশি করা হবে।

মুসল্লিদের সুবিধার্থে মহাখালী থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত দুইটি বাস সার্ভিস থাকবে র‌্যাবের। ইজতেমা মাঠে দুইজন চিকিৎসকসহ চিকিৎসাকেন্দ্র থাকবে। ইজতেমার মাঠে ২০ টি প্রবেশ পথে আর্চওয়ের মাধ্যমে প্রত্যেককে তল্লাশি করা হবে।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়