ইবির শিক্ষক লাঞ্ছিত, তদন্ত কমিটি গঠন

আগের সংবাদ

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকি

পরের সংবাদ

নিরীহ গ্রামবাসীকে মারধর

তিন পুলিশ কর্মকর্তা দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২০ , ১০:৪২ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২০ , ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে গিয়ে নিরীহ গ্রামবাসীকে মারধর করায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে দেড় ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ করে রাখেন উত্তেজিত জনতা। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। তারা হলেন- পার্বতীপুর মডেল থানার এসআই সুমন কুমার রায়, এএসআই মনোয়ারুল ইসলাম ও শাহিন সরকার।

বুধবার (৮ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় পার্বতীপুর উপজেলার চণ্ডিপুর ইউনিয়নের বড়হরিপুর আব্বাসপাড়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের মারধরের শিকার বড়হরিপুর আব্বাসপাড়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মোমিনুর ইসলামকে (৫০) পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার সাইফুল ইসলাম ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় পুলিশের তিন কর্মকর্তাসহ ৬ সদস্য বড়হরিপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রাম থেকে মাদক ব্যবসায়ী হায়দার আলীকে (৩২) ৫০ গ্রাম গাঁজা ও দুই পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে নিয়ে পুলিশ দেড় কিলোমিটার দুরে আব্বাসপাড়া মোড়ে নজরুল ইসলামের চাতালে নিয়ে আসে। সেখানে ধান শুকাতে আসা মোমিনুর ইসলামর কাছে পুলিশ এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের নাম জানতে চাইলে তিনি তাদের চেনেন না বলে জানান।

এতে পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বেদম মারধর করে বলে তার নিকট আত্মীয়রা অভিযোগ করেন। নির্দোষ মোমিনু পুলিশের মারপিটে আহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের গ্রামের উত্তেজিত শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের ঘিরে রাখে। খবর পেয়ে পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোখলেছুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

বর্তমানে মোমিনুর ইসলামকে পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডা. মিতু আহম্মেদ সন্ধ্যা সাতটায় মোমিনুর ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি জানান, তিন কর্মকর্তা ও তিন কনেস্টবল মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বড়হরিপুর গ্রামে যায়। সেখান থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসার সময় তাদের আত্মীয় স্বজনরা বাধা দেয়। তারা নিরীহ মানুষকে মারধরের গুজব ছড়িয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করে। পুলিশ কোনো নির্দোষ লোককে গ্রেপ্তার বা মারধর করেনি বলে ওসি দাবি করেন।

এনএম

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়