ধর্ষক যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায়

আগের সংবাদ

রাষ্ট্রব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণে ধর্ষণ: নিপুণ

পরের সংবাদ

শেষ হলো পৌষমেলা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২০ , ৮:৩৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২০ , ৮:৩৯ অপরাহ্ণ

মেলা প্রাঙ্গণে ঢুকতেই উনুনে ভাপা পিঠা, দুধ আর গুড়ের মিষ্টি সুগন্ধে ভরে গেল মন। মেলার চারপাশজুড়েই পুলি পিঠা, নকশি পিঠা, ডিম পাকন, পাটিসাপটা, ভাপা পিঠা, বিবিখানা পিঠা, ঝাল পিঠা, তিলের পিঠা, মালপোয়া, নারকেল পুলি, পিঠা দুধ পুলি, মুগ পাকন, কুসুম সুখ, ইলিশ মাছের কিমার পিঠাসহ বিভিন্ন জেলার নানা ধরনের তৈরি পিঠার সমারোহ। মেলায় বিক্রির পাশাপাশি ঠাঁই পেয়েছে ৩০ রকমের আচার, কারুপণ্য ও তৈরি পোশাক। ক্রেতার পছন্দ ও চাহিদামাফিক চটজলদি তৈরি করে দেয়া হচ্ছে পিঠা। গরম গরম তৈরি পিঠা খাওয়ার আনন্দে খুশি আগ্রহী দর্শনার্থীরা। শেষ হয়েও যেন হচ্ছে না শেষ।

বাংলা একাডেমি চত্বরে তিন দিনব্যাপী পৌষমেলা শেষ হলো। সমাপনি দিনে বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টস, ওস্তাদ মোমতাজ আলী খান সঙ্গীত একাডেমি, পঞ্চভাস্কর, ভিন্নধারা, স্ব-ভূমি লেখক শিল্পীকেন্দ্র। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন নীলুফার বানু লিপি, সঞ্জয় কবিরাজ, আরিফ রহমান, শ্রাবণী গুহ রায়, কিমিয়া জোয়ার্দার, আসিফ ইকবাল সৌরভ, পান্না দত্ত, মোহনা দাস, শিমুল সাহা, বাউল দোলোয়ার ও সনিয়া। শিশু সংগঠন পরিবেশনা মৈত্রী শিশুদল। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে বহ্নিশিখা, জিনিয়া নৃত্যকলা একাডেমি, স্কেচ একাডেমি অব ফাইন আর্টস, ভোরের পাখি নৃত্যকলা কেন্দ্র। দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে ঢাকা স্বরকল্পন, ত্রিলোক বাচিক পাঠশালা। একক আবৃত্তি পরিবেশন করে আশরাফুল আলম, এনামুল হক বাবু, মাসুম আজিজুল বাসার, আহসান উল্লাহ তমাল, অনিকেত রাজেশ, তারেক আলী মিলন। বিশেষ আয়োজনে ছিল বাংলার বাণী অপেরা নিবেদিত যাত্রাপালা আলোমতি প্রেম কুমার।

গ্রামীণ ঐতিহ্যের পিঠাপুলি পিয়াসী ব্যাপক নগরবাসী স্বাচ্ছন্দে মেলায় উপস্থিত থেকে অনেক রাত পর্যন্ত হরেক রকম পিঠাপুলি দর্শন করেন এবং স্বাদ গ্রহণ করেন এবং সেই সঙ্গে লোকজ অনুষ্ঠান উপভো করেন। নোয়াখালীর লাবণ্য পিঠা ঘরের কর্নধার জান্নাতুল ফেরদৌস পারভীন বলেন, অনেক দিন থেকেই গ্রামীণ পিঠা নিয়ে মেলায় অংশ নিয়ে থাকি। এখানে ১০ টাকা থেকে ১শ’ টাকা পর্যন্ত প্রায় ২৮ রকমের পিঠা বিক্রি করি আমরা।

পৌষমেলা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, পৌষমেলার উদ্দেশ্য হলো গ্রামীণ জনপদের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বর্ণিল মেলার ক্ষুদ্র সংস্করণকে নগরবাসীর সামনে তুলে ধরা। তিনি বলেন, গত একুশ বছর ধরে এই পৌষমেলা আয়োজন করে আসছি। প্রতিবছর শত শত দর্শনার্থী এই পৌষমেলায় আসেন।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়