জুতা পায়ে শহীদ মিনারে ছাত্রদল, পুলিশ রক্তাক্ত

আগের সংবাদ

সিনেমা হলেও ইভিএমের প্রচারণা চলবে

পরের সংবাদ

এসসিআরএফের প্রতিবেদন

সড়কে দুর্ঘটনা কমলেও বেড়েছে প্রাণহানি

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১, ২০২০ , ৫:৩৬ অপরাহ্ণ

সদ্যবিদায়ী ২০১৯ সালে আগের বছরের চেয়ে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা কিছুটা কমলেও বেড়েছে প্রাণহানির সংখ্যা। এর পেছনে চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও মোবাইল ফোনালাপ, ট্রাফিক আইন অমান্য করে ওভারটেকিং ও ওভারলোডিং, দূরপাল্লার সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক আর পথচারীদের অসতর্কতাই দায়ী।

শিপিং এন্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) ‘সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৯’-এ এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি ২৪টি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং ৯টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

২০১৮ সালে যেখানে চার হাজার ৩১৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেখানে সদ্যবিদায়ী বছরে তা কমে দাঁড়ায় চার হাজার ২১৯টিতে। তবে আগের বছরে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল যেখানে ৪ হাজার ৫৮০ জন, সদ্য বিদায়ী বছরে তা দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬২৮ জনে। গেল বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মহাসড়ক, জাতীয় মহাসড়ক, আন্তঃজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক সড়কসহ সারা দেশে এসব প্রাণঘাতি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, গাড়ি চালানোর সময় চালকদের বেপরোয়া মনোভাব, চলন্ত অবস্থায় চালকের মোবাইল ফোনালাপ, ট্রাফিক আইন অমান্য করে ওভারটেকিং ও ওভারলোডিং, বিরতি ছাড়াই দূরপাল্লার সড়কে দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালানো।

পাশাপাশি অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ, মহাসড়কে মোটরবাইকসহ ক্ষুদ্র যানবাহনের অবাধ চলাচল, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব, দূরপাল্লার সড়কের বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও বেহাল দশা, নিয়োগপত্র না পাওয়ায় পরিবহনকর্মীদের মাঝে হতাশা, বিভিন্ন স্তরে চাঁদাবাজির কারণে শ্রমিক অসন্তোষ এবং পথচারিদের অসর্কতা ও ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করাকে দুর্ঘটনার জন্য বিশেষভাবে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

নকি