কালীগঞ্জ আ.লীগের সভাপতি রঞ্জু, সম্পাদক কালাম

আগের সংবাদ

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা উদ্যোগ

পরের সংবাদ

জেঁকেবসা শীত-বৃষ্টিতে হবে বর্ষবরণ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৯ , ৮:২৫ অপরাহ্ণ

কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বেশকিছু জেলা। চলছে শৈত্যপ্রবাহ। যা আগামী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সাথে আগামী ৭২ ঘন্টার পূর্বাভাষে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে তারা। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ম তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ডিমলায় ৬.৬ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, কাল মঙ্গলবার থেকে হাড় কাঁপানো শীতের সাথে হিমেল বাতাস বয়ে যেত পারে সারা দেশে। সাথে ঘন কুয়াশাও থাকবে। দেশজুড়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বইছে। যা অব্যাহত থাকবে আরও কয়েকদিন। সকাল থেকে দেখা মিলবে না সূর্যের। কুয়াশার চাঁদরে মোড়ানো থাকতে পারে চারপাশ।

অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী- উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গের এবং তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। যার ফলে ঠা-া বাতাস বইছে। গতকাল মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যেতে পারে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। অধিদপ্তর জানিয়েছে দেশের মধ্যে টাঙ্গাইল, মৌলভীবাজার, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাবে। দিনের চেয়ে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

আগামী ৭২ ঘন্টার পূর্বাভাষে অধিদপ্তর বলেছে দেশের কোন কোন জেলায় হালকা থেকে মাঝারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে শৈত্যপ্রবাহ আরো বেড়ে যেতে পারে। এদিকে কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন-জবুথব সারাদেশ। সবচেয়ে বিপাকে খেটে খাওয়া আর ছিন্নমূল মানুষ। অনেক স্থানে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই কম। ঘরকুটোয় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন অনেকে।

বেড়েই চলেছে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। বিশেষ করে বাচ্চা ও বুড়োরা সর্দি, জ্বর, ডায়েরিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, ফেরী ও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

ন/