বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’

আগের সংবাদ

‘সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে’

পরের সংবাদ

বিজয়ফুল প্রতিযোগিতায় সংস্কৃতিমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ , ৬:৪১ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ , ৬:৪৮ অপরাহ্ণ

বিজয়ের প্রতীক জাতীয় ফুল সাদা শাপলা। সেটাই আবার বিজয়ফুল। আর এই বিজয়ফুল তৈরি নিয়েই প্রতিযোগিতা। উপজেলা, জেলা পর্যায় ছাড়িয়ে তা এখন জাতীয় পর্যায়ে। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এ আয়োজন। সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ফুল প্রতিযোগিতা ২০১৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন হল।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার জাতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ সংস্কৃতি সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ এবং জাতি গড়ার কারিগর। তাদের কাছে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলো, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জাতীকে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেয়া হয়নি। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে বিজয়ফুল প্রতিযোগিতা বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। সংস্কৃতি সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এসডিজি) মো. মোকাম্মেল হোসেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন করে নৈতিক গুণাবলীসম্পন্ন মানবিক মানুষ গড়া সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন দেশব্যাপী সুষ্ঠু সংস্কৃতি চর্চা ও সাংস্কৃতিক জাগরণ। দেশপ্রেমের মনোভাব নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই কেবল মানুষের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করা সম্ভব। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান ইলিয়াস।

নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উপলব্ধি এবং সংগ্রামী ইতিহাস জানাবার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘বিজয়ফুল’ তৈরি, গল্প ও কবিতা রচনা, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয় ও, চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং দলগত দেশাত্ববোধক ও জাতীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা ২০১৯ আয়োজন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠান শেষে শুরু হয় জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। এরপর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। পরে প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা ও বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়