কুড়িগ্রাম আ.লীগের সভাপতি জাফর, সম্পাদক মঞ্জু

আগের সংবাদ

হেগের আদালতের দিকে তাকিয়ে রোহিঙ্গারা

পরের সংবাদ

মিয়ানমারের বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য নয়: গাম্বিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ১২, ২০১৯ , ৫:৫৪ অপরাহ্ণ

মিয়ানমার নিজেদের সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিচারে যে কথা বলছে তা কিছুতেই বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে শেষ দিনে যুক্তি প্রদান করে গাম্বিয়া। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানায় দেশটি।

শুনানির সমাপনি দিনে গাম্বিয়ার প্রধান আইনজীবি বারবার মামলাটি সম্পূর্ণ শুনানি না হওয়া পর্যন্ত মেয়ানমারের সেনা বাহিনীকে সংযত করার জন্য অন্তবর্তীকালীন পদক্ষেপের দাবি জানায়। পাওল রিচলার বলেন, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর চরম সহিংসতার কোন অভিযোগ শুনানির সময় তারা খন্ডন করার চেষ্টাও করেনি। অপরাধের সাথে যুক্ত সেনাকর্মকর্তাদের বিচারের বিষয়টিও বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, যখন সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ডার সহ ৬ জনকে গণহত্যায় জরিত থাকায় জাতিসংঘ অভিযুক্ত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার সুপারিশ করেছিল সে ক্ষেত্রে কিভাবে কেউ এটা প্রত্যাশা করবেন যে তারা নিজেরা নিজেদের বিচার করবে। এ সময় তিনি ২০১৮ সালের জাতিসংঘ তদন্ত দলের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন যেখানে এ বর্বর হত্যাকাণ্ডকে ”গণহত্যার উদ্দেশ্যে” পরিচালিত অভিযান বলে উল্লেখ করা হয়।

রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের ওপর মেয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা মামলার প্রাথমিক শুনানি হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে শেষ হয়েছে। তিন দিনের এ শুনানিতে মিয়ানমারের পক্ষে অং সান সু কি ২০১৭ সালের মিয়ানমার সেনাদের রাখঅইন রাজ্যে পরিচালিত গণহত্যাকে ‘পরিচ্ছন্ন অভিযান’ বলে অভিহিত করেন আদালতে। অরসা সন্ত্রাসীদের হামলা প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালিত হয় বলে তিনি যুক্তি দেখালেও হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করতে পারেননি।

এক সময়ের নোবেলজয়ী সুকি আদালতকে বলেন, মিয়ানমার কার্যকরভাবে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে, বিচার করছে এবং শাস্তি দিচ্ছে তাই আদালতকে কোন ধরণের পদক্ষেপ নেয়া উচিত হবে না। তিনি বলেন সেখানে যদি মানবাধিকারের লংঘন হয়ে থাকে তবে তা গণহত্যার পর্যায়ে না । শুনানি চলাকালীন আদালতের বাহিরে সুকির পক্ষে বিপক্ষে বিক্ষোভ হয়।

চূড়ান্ত বক্তব্য দেয়ার জন্য মিয়ানমার প্রতিনিধি দলকে কয়েক ঘন্টা সময় দেয়া হয়েছে। তবে অন্তবর্তিকালীন কোন আদেশ দেয়অর সময় নির্ধঅরণ করা হয়নি। আশা করা হচ্ছে জানুয়ারীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এ বিষয়ে আদেশ আশার পর কয়েক বছর ব্যাপি পূর্ণাঙ্গ শুনানি শুরু হবে।

নকি/