ঝালিয়ে নিচ্ছেন মুস্তাফিজ-তাসকিন

আগের সংবাদ

বিমানে ইনফ্লাইট সেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ

পরের সংবাদ

স্বর্ণময় আরেকটি দিন

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৭, ২০১৯ , ৫:০০ অপরাহ্ণ

গেল বছরের চেয়ে প্রত্যাশা বেশিই ছিল বাংলাদেশের। আবার সফরের বহরটাও অন্যবারের চেয়ে ভারী। তাই সব মিলিয়ে প্রত্যাশা-আকাঙ্ক্ষা বাড়তেই পারে। তার ওপর প্রথমদিনটা ছিল বিজয়ের মাসের শুরু। যদিও শুরুতেই ধরা দেয়নি স্বপ্ন। খানিকটা বিষণ্ণতা কেটে দ্বিতীয় দিনে সোনা ছুঁয়ে দেয়ার মুহূর্ত আসে।

নেপালে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের ১৩তম আসরের সেদিনের সকালটা বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণময় হয়ে ওঠে। বাংলাদেশকে প্রথম স্বর্ণ উপহার দেন রাঙামাটির দিপু চাকমা। তায়কোয়ান্দো ডিসিপ্লিনে ছেলেদের একক পুমসায় ঊর্ধ্ব-২৯ শ্রেণিতে ভারতের বিপক্ষে এ স্বর্ণ পদক ঘরে আসে।

তবে তৃতীয়দিনে (৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণময় হয়ে ওঠে গোটা আসর আসর। তিন তিনটি স্বর্ণ পদক ছিনিয়ে নেয় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। দিনের শুরুতে কারাতে ইভেন্টের ৬০ কেজি কুমির ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বর্ণ জয় করেন আল-আমিন। মেয়েদের কারাতে ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বর্ণ পদক জিতে নেন মারজানা আক্তার পিয়া। এরপর মেয়েদের ৬১ কেজি কুমিতে ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে স্বর্ণপদক ছিনিয়ে নেন হোমায়রা আক্তর অন্তরা।

এসএ গেমসের সপ্তমদিনও হয়ে ওঠে স্বর্ণময়। পরপর তিনটি স্বর্ণ পদক ঘরে ওঠে এদিন। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) ভারাত্তোলনে বাংলাদেশকে পঞ্চম স্বর্ণপদক এনে দেন মাবিয়া আক্তার। যে মাবিয়া গত আসরেও ভারত্তোলনে স্বর্ণপদক এনে দিয়েছিলেন। এরপর ষষ্ঠ স্বর্ণপদক আসে জিয়ারুল ইসলামের হাত ধরে। পুরুষ ১০২ কেজি শ্রেণিতে এই জয় আনেন তিনি।

এরপর এসএ গেমসে বাংলাদেশের ঘরে সপ্তম স্বর্ণপদক এনে দেন ফাতেমা মুজিব। ফেন্সিং ডিসিপ্লিনে মেয়েদের একক সাবরে ইভেন্টে তিনি এ পদক জিতে নেন।

দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার ক্রীড়াবিদদের মিলনমেলায় মুখরিত এখন নেপালে কাঠমুণ্ডু। ২৬টি ডিসিপ্লিনে ৩১৭টি স্বর্ণপদকের জন্য লড়ছে সাত দেশের প্রতিযোগিরা।

বাংলাদেশ থেকে ৫৯৫ সদস্যের বিশাল বহর এখন সেখানে। তাদের মধ্যে ক্রীড়াবিদ ৪৬২ জন এবং কর্মকর্তা ১৩৩ জন। একটি ডিসিপ্লিন (ট্রাইলথন) বাদে সবকটিতেই অংশ নিচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এনএম