জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে তো?

আগের সংবাদ

ফের ভিসি অপসারণ দাবিতে জাবিতে বিক্ষোভ

পরের সংবাদ

দুদুর জামিনে আ.লীগ নেতাদের দ্বন্দ্ব

মাদারীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৫, ২০১৯ , ১০:৩৫ অপরাহ্ণ

মাদারীপুর জজকোর্টে একটি মামলায় বুধবার জামিন নিতে এসেছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। মামলার বাদী জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক বাবুল আক্তারের অনাপত্তির ভিত্তিতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. নাজির আহম্মেদ দুদুকে স্থায়ী জামিন প্রদান করেছে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে চরম অসস্তোষ দেখা দেয়। অনেকেই প্রশ্ন করেন আওয়ামীলীগ এর নেতা হওয়া সত্বেও কি ভাবে বিএনপি নেতার জামিনে বিরোধিতা না করে বরং তার জামিনে অনাপত্তি দেয়, এটা আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের বোধগম্য নয়।

এদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুর মামলার বাদী জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক বাবুল আক্তারের অনাপত্তির খবরে বৃহষ্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সারাদিন আদালত পাড়ায় বইছে সমালোচনার ঝড়। এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজ ফরাজী বলেন, মামলার বাদী জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক ও আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ নেতা এ মামলায় দুদুর জামিন হলে তার আপত্তি নেই এ কথা বলতে পারেন না। যদি বলে থাকেন, তা হলে কীসের বিনিময়ে তিনি তা বললেন এটি জানা জরুরি। তার এ বক্তব্য সঠিক হলে তার বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেথ্য বুধবার দুপুর ১২টার দিকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান শেখ হাসিনা হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় স্থায়ী জামিনের জন্য আবেদন করেন। মামলার বাদী অ্যাডভোকেট বাবুল আক্তার জামিনের বিরোধিতা না করে জামিন হলে আপত্তি নেই এ বক্তব্যও পর বিচারক মো. নাজির আহম্মেদ দুদুর স্থায়ী জামিনের এআদেশ দেন। এর আগে গত ২৩ অক্টোবর ছয় সপ্তাহের জামিনের আদেশ দিয়ে নিম্নআদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশনা দেয়ায় শামসুজ্জামান দুদু চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিনিয়র আইনজীবী মো. জাফর আলী মিয়া, শরীফ মো. সাইফুল কবীর, গোলাম মোস্তফা চিশতি ও হাওলাদার মিজানুর রহমান জামিন শুনানিতে অংশ নেন।

অপরদিকে, মামলার বাদী অ্যাডভোকেট বাবুল আক্তার জামিনের বিরোধিতা না করে জামিন হলে আপত্তি নেই এ বক্তব্য দেয়ায় আদালতপাড়ায় আওয়ামী লীগসমর্থক আইনজীবীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়।