নজিরবিহীন রানে মালদ্বীপকে হারালো সালমারা

আগের সংবাদ

তাহিরপুরে নৌপথে চাঁদাবাজির সময় আটক ৬

পরের সংবাদ

আগামীর জন্য সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে হবে

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৫, ২০১৯ , ২:৩০ অপরাহ্ণ

পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে একটি বাসযোগ্য সুন্দর পৃথিবী পেয়েছিলাম। এখন আমাদের আজ এবং আগামীর জন্য আরো সুন্দর, আরো স্বপ্নময় একটি সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আর মাত্র এক দশক বাকি আছে। আমরা আমাদের যুবসমাজ, পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

তাই সুন্দর আগামীর জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে যেসব ‘দেশভিত্তিক’ সমস্যা আছে সেগুলো সমাধান করা ও প্রত্যেক দেশের নাগরিকদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতে অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠন করতে হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, এ জন্য সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সব প্রকার ভৌত ও অভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটাতে হবে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে পিছিয়ে পড়া দেশগুলোর জন্য খাতওয়ারি চাহিদাভিত্তিক অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে গতকাল বুধবার তিন দিনব্যাপী ‘বুসান ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ ফোরাম ২০১৯’ ও কার্যকর উন্নয়ন সহায়তার লক্ষ্যে বৈশ্বিক অংশীদারত্ববিষয়ক ১৮তম স্টিয়ারিং কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল কো-চেয়ার হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, প্রত্যেক দেশের নিজস্ব যে সম্পদ আছে তা থেকে সুবিধা নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অন্তরায় সৃষ্টি উচিত নয়। বাংলাদেশের সম্পদ হলো এর বিপুল কর্মঠ জনগোষ্ঠী। এ জনশক্তির দেশে-বিদেশে কাজের ব্যবস্থা করে দিতে হবে এবং সেক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা দেয়া যাবে না। নজর দিতে হবে কোনো দেশের ওপর চাপিয়ে দেয়া অস্বাভাবিক সমস্যা সমাধানের দিকেও। যেমন বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হওয়া মিয়ানমার থেকে আগত এক মিলিয়নের মতো যে রোহিঙ্গা আছে তাদের সমস্যার আশু সমাধান করতে হবে।

এ ছাড়া তুরস্ক, জর্ডান ও ফিলিস্তিনের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। আমাদের উৎপাদিত পণ্য চলাচলে অহেতুক বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। পরিবেশের বিপর্যয়ের হাত থেকে বিশ্বকে রক্ষা করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। এজন্য বেশি পরিমাণে কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। মানব সৃষ্ট বাণিজ্য বাধা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মতো সমস্যা মানুষই পারবে সমাধান করতে। এসব সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে প্রত্যেক দেশ তথা বিশ্ব লাভবান হবে। আমরা আজ এবং আগামীর জন্য আরো সুন্দর ও নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করে যেতে পারব।

সুন্দর ও নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিতকরণের লক্ষ্য অর্জনে অর্থমন্ত্রী সবার জোরালো অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন সহায়তার প্রায়োগিক নীতি নির্ধারণে রাজনৈতিক সদিচ্ছার সঙ্গে সঙ্গে উন্নয়ন সহায়তা প্রদানকারী ও সহায়তা গ্রহণকারী সবার কার্যকর ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

এসআর