ফ্রি ২৪ হাজার বার কল করে গ্রেপ্তার!

আগের সংবাদ

রবিউল হুসাইন জীবনবাদী দর্শনেরই অনুগামী

পরের সংবাদ

মিরপুরে জোড়া খুন, ঘাতকের সন্ধানে পুলিশ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৪, ২০১৯ , ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

রাজধানীর মিরপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্ত্রী বৃদ্ধা ও গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মিরপুর-২-এর ২ নম্বর রোডের ৯ নম্বর বাসার চতুর্থ তলা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে মিরপুর থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন- সাহেদা বেগম কমলা (৬৫) ও সুমি আক্তার (১৫)।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাদের হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই নিহত বৃদ্ধার পালিত সন্তান সোহেলের হদিস মিলছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরো জানায়, চতুর্থ তলার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন বৃদ্ধা সাহেদা। সুমি আক্তার সেখানে কাজ করতো। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ফ্ল্যাটের লোকজনের কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে দু’জনের লাশ দেখতে পায়।

নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা রহিমার মেয়ে রাশেদা জানান, তার পালক ভাই সোহেল মায়ের খাবার সরবরাহ করতে ওই বাসায় যেতেন। টাকার জন্য তার মাকে পালক ভাই হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা তার।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের ডিসি মোস্তাক আহম্মেদ জানান, দুই রুমের ওই বাসায় বৃদ্ধা একাই থাকতেন। গৃহকর্মী সুমি বাসায় এসে কাজ করতেন। তাদের লাশ পড়ে থাকলেও শরীরে বড় ধরনের কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। বৃদ্ধার বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই এলাকায় তার কোনো স্বজন রয়েছে কি-না তা খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

তবে প্রতিবেশী ও ভবনের অন্যান্য বাসার গৃহকর্মীরা জানিয়েছেন, তার এক পালিত সন্তান পেশায় ট্রাকচালক। মাঝে মধ্যে তিনি ওই বাসায় আসতেন। গত সোমবারও এসেছিলেন; কিন্তু ঘটনার পর তার হদিস পাওয়া যায়নি। সুমি আক্তারকে তারা চিনতেন। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বাদুরতলা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ক্রাইম কৃষ্ণপদ রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, ওই বাসার আসবাবপত্র ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পড়ে ছিল। তবে কিছু খোয়া গেছে কি-না নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছড়াও ওই বাসায় অনেকের যাতায়াত ছিল। লাশ দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পলাতক ছেলের হদিস করা হচ্ছে।

এনএম