রাণীনগরের কুমড়া বড়ির চাহিদা সারাদেশে

আগের সংবাদ

মুদি দোকানের নিচে পাঁচ বস্তা পয়সা!

পরের সংবাদ

বাচ্চাদের মাঠে কোন মেলা নয়: মেয়র আতিক

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৪, ২০১৯ , ৮:০৫ অপরাহ্ণ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মাঠ ও পার্কগুলো শিশু ও নারীবান্ধব করার জন্য কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ডিএনসিসির আওতাধীন কোনো মাঠে কোনও ধরণের মেলা অনুমোদন দেবো না। এখানে বাচ্চারা খেলবে।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নগর ভবনে শিশুবান্ধব শহর গড়তে কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে আয়োজিত এক সংলাপে মেয়র এ কথা বলেন। সংলাপে অংশ নেয়া মিরপুরের এক কিশোর অভিযোগ করে, খেলার মাঠে বিভিন্ন সময় মেলা আয়োজনের কারনে তারা খেলাধুলা করতে পারে না। এর উত্তরে ডিএনসিসির আওতাধীন মাঠে কোনও মেলার অনুমতি দেবেন না বলে জানান মেয়র।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি সচিব রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মঞ্জুর হোসেন, প্যানেল মেয়র আলেয়া সারোয়ার ডেইজি, আইন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতায় আমরাও বলতে চাই শীর্ষক এ সংলাপের আয়োজন করে ডিএনসিসি স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার কিশোর-কিশোরীরা অংশ নেয়। সংলাপে অংশ নিয়ে কডাইল থেকে আগত কিশোরী শারিমন আক্তার বলেন, আমরা কেন মাঠে গিয়ে খেলতে পারবো না? আমরা বাইরে গিয়ে যাতে মাঠে খেলতে পারি তার ব্যবস্থা করা হোক।

মেয়র আতিক বলেন, আমরা অনেকগুলো খেলার মাঠ-পার্ক করে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। পার্ক-মাঠের কাজ চলছে। এসব পার্কগুলোতে নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, কিশোরীদের জন্য আলাদা কর্নার করার উদ্যোগ নেবো।

সংলাপে অংশ নেয়া মিরপুর-১৩ এর বাসিন্দা কিশোর মামুন হাসান বলেন, আমাদের শহরে শিশুশ্রম বেড়ে যাচ্ছে। অল্প বেতনে শিশুরা গার্মেন্টসে কাজ করে। এছাড়া হারুন মোল্লা মাঠে বড় ভাইরা আমাদের খেলতে দেয় না। খেললে চাঁদা চায়, না দিলে ব্যাট নিয়ে যায়। উত্তরে মেয়র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি নোট করার পরামর্শ দিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

মেয়র আরো বলেন, আমাদের প্রায় ১৭ পার্ক-মাঠে এলইডি লাইট লাগানো হচ্ছে, যেন সারাদিন অফিস-কাজ শেষে রাতেও সবাই খেলতে পারে। এছাড়া নারীদের জন্য সময় নির্ধারণ বা কর্নার করে দেয়ার জন্য ব্যবস্থা নেবো। আগামী মার্চে বনানীর পার্কে শিশু ও নারীরা খেলতে পারবে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির পানি যেন না জমে, সে ব্যবস্তা নেয়া হচ্ছে।