কী শিখতে চান দীপিকা!

আগের সংবাদ

আন্তর্জাতিক সংস্থার শুভেচ্ছাদূত বিপাশা হায়াত

পরের সংবাদ

বুয়েটে র‌্যাগিং ও রাজনীতিতে জড়ালে বহিষ্কার

ঢাবি প্রতিনিধি :

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ , ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) র‌্যাগিং ও রাজনীতিতে জড়িত থাকার সর্বোচ্চ শাস্তি ‘আজীবন বহিষ্কার’ নির্ধারণ করে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে বুয়েট প্রশাসন।  সোমবার (২ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন এ নীতিমালায় র‍্যাগিংয়ের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে কয়েকটি ধাপে।

প্রথমত, র‌্যাগিং এর ফলে যদি কোনো ছাত্রের মৃত্যু ঘটে তবে অভিযুক্তের শাস্তি হল বুয়েট থেকে আজীবন বহিষ্কার ও পাশাপাশি থানায় মামলা দায়ের করা হবে।

দ্বিতীয়ত, র‌্যাগিংয়ের ফলে কোনো শিক্ষার্থীর গুরুতর শারীরিক ক্ষতি বা মানসিক ভারসাম্যহীনতার শিকার হলেও অভিযুক্তকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা হবে।

তৃতীয়ত, মৌখিক বা শারীরিক লাঞ্ছনা এবং সাময়িক মানসিক ক্ষতিসহ এ-সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তি হচ্ছে সতর্কতা, জরিমানা, হল থেকে চিরতরে বহিষ্কার বা একাডেমিক কার্যক্রম থেকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরত রাখা। এ ধরনের অপরাধীকে শিক্ষাজীবনে ফিরতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাউন্সেলিং করতে হবে।

জারি করা নতুন নীতিমালায় অনুযায়ী, বুয়েটে কেউ সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি করলে সর্বোচ্চ সাজা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার। এতে আরও বলা হয়, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতিতে জড়িত থাকলে, রাজনৈতিক পদে থাকলে, রাজনীতি করতে কাউকে উদ্বুদ্ধ বা বাধ্য করলে অপরাধ সাপেক্ষে শাস্তি, সতর্কতা, জরিমানা, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কোনো মেয়াদে বহিষ্কার করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ০৬ অক্টোবর দিবাগতে রাতে বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার পর বুয়েটে সংগঠনভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং র‌্যাগিংয়ের সাথে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করে নীতিমালা প্রণয়নসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছিলেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে বুয়েট প্রশাসন। এ নীতিমালা বাস্তবায়ন ছিল তৃতীয় ও শেষ দাবি। এ দাবি মানলেই ক্লাসে ফিরে যাবেন বলেছিলেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা। এখন ক্লাস পরীক্ষায় ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানার জন্য আন্দোলনকরীদের দিকে তাকিয়ে বুয়েট প্রশাসন

এসআর