জলবায়ু অভিঘাতে বিশ্বে ২ সেকেন্ডে গৃহহীন ১ জন!

আগের সংবাদ

স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ নেয়ার পথে

পরের সংবাদ

বাংলাদেশের স্বর্ণময় প্রথম তিনদিন

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ , ৭:০৩ অপরাহ্ণ

বছর তিনেক আগে ভারতের গৌহাটি ও শিলং থেকে মাত্র চারটি স্বর্ণ পদক হাতে করে ফিরতে হয়েছিল বাংলাদেশের। দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের মধ্যে অবস্থানও হয়েছিল পঞ্চম। চারটি স্বর্ণ বাদ দিলে মাত্র ৭১টি পদক ঘরে এনেছিল বাংলাদেশের। তবে তিন বছর আগেই সেই ব্যর্থতা ঝেড়ে এবার কাঠমুন্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামকে স্বর্ণময় করে তুলতে মাঠে নামে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

নেপালে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের ১৩তম আসর শুরুই হয়েছে বিজয়ের মাসের প্রথমদিন। আর দ্বিতীয় দিনের সকালটা হয়ে ওঠে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণময়। সোমবার (২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশকে প্রথম স্বর্ণ উপহার দেন রাঙামাটির দিপু চাকমা। ভারতের বিপক্ষে তায়কোয়ান্দো ডিসিপ্লিনে ছেলেদের একক পুমসায় ঊর্ধ্ব-২৯ শ্রেণিতে এ স্বর্ণ পদক অর্জন করেন তিনি।

তৃতীয় দিন মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) তিন তিনটি স্বর্ণ পদক ছিনিয়ে নেয় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। দিনের শুরুতে কারাতে ইভেন্টের ৬০ কেজি কুমির ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বর্ণ জয় করেন আল-আমিন। এরপর আরো দুটি স্বর্ণ ঘরে ওঠে বাংলাদেশের।

মেয়েদের কারাতে ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে পাকিস্তানের কাউসার ছানাকে ৪-৩ পয়েন্টে হারিয়ে স্বর্ণ পদক জিতে নেন মারজানা আক্তার পিয়া। এরপর চমক দেখান দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশকে প্রথম পদক এনে দেয়া হোমায়রা আক্তর অন্তরা। মেয়েদের ৬১ কেজি কুমিতে ফাইনালে স্বাগতিক নেপালের আনুকে ৫-২ পয়েন্টে হারিয়ে স্বর্ণপদক ছিনিয়ে নেন তিনি।

দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার ক্রীড়াবিদদের মিলনমেলায় মুখরিত এখন দশরথ স্টেডিয়াম। কাঠমুন্ডুর পরে আরো দুটি শহর পোখারা ও জানাকপুরে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতা। ২৬টি ডিসিপ্লিনে ৩১৭টি স্বর্ণপদকের জন্য লড়াই করবেন সাত দেশের প্রতিযোগিরা। তবে নয় বছর পর ক্রিকেট ফিরেছে এসএ গেমসে। আর এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে গলফ ও কারাতে।

বাংলাদেশ থেকে ৫৯৫ সদস্যের বিশাল বহর গেছে নেপালে। তাদের মধ্যে ক্রীড়াবিদ ৪৬২ জন এবং কর্মকর্তা ১৩৩ জন। একটি ডিসিপ্লিন (ট্রাইলথন) বাদে সবকটিতেই অংশ নিচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এমএইচ