বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্বর্ণ এনে দিলেন আল-আমিন

আগের সংবাদ

মাইলসের ৪০ বর্ষপূর্তিতে ঢাকায় কনসার্ট

পরের সংবাদ

দানবিক কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ মিলল ছায়াপথে

কাগজ ডেস্ক :

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ , ১১:০২ পূর্বাহ্ণ

নাক্ষত্রিক-ভরের বিশাল কৃষ্ণগহ্বর খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা, যার ভর আমাদের সূর্যের ৭০ গুণ বেশি। এত ভরসম্পন্ন হওয়ার কারণে বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তো উঠছেই, সেই সঙ্গে এটি এই শ্রেণির কৃষ্ণগহ্বর সংশ্লিষ্ট সব তাৎত্ত্বিক ধারণার দিকে ছুড়ে দিয়েছে নতুন চ্যালেঞ্জ। পৃথিবী থেকে ১৫ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত ওই কৃষ্ণগহ্বরের নাম দেয়া হয়েছে এলবি-১ এবং এটি খুঁজে বের করেছেন চীনের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক গবেষকদের এক দল। খবর মার্কিন দৈনিক ইউএসএ টুডে।

বর্তমানের কৃষ্ণগহ্বর তত্ত্ব বলছে, এ ধরনের ভরসম্পন্ন কোনো কৃষ্ণগহ্বর আমাদের ছায়াপথে নেই। এতদিন গবেষকদের ধারণা ছিল, কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হওয়ার আগে জীবনের শেষ ধাপে আমাদের ছায়াপথের নক্ষত্রগুলোর অধিকাংশ ভরই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু সে তত্ত্ব মানলে, এলবি-১ কৃষ্ণগহ্বরটির তৈরি হওয়ারই কথা নয়। এ ব্যাখ্যা দেন ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিকাল অবজারভেটরি অব চায়নার অধ্যাপক লিউ জিফেং, যিনি এই কৃষ্ণগহ্বরটির আবিষ্কারক দলের নেতৃত্ব দেন।

এদিকে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানায়, এ ধরনের নাক্ষত্রিক-ভরের কৃষ্ণগহ্বরগুলো খুবই সাধারণ মৃত নক্ষত্রের অবশিষ্টাংশ থেকে তৈরি হয় এবং এগুলোতে সাধারণত ১০ থেকে ২৪টি সূর্যের সমান ভর দেখা যায়। এই আবিষ্কারটি নাক্ষত্রিক-ভরসম্পন্ন কৃষ্ণগহ্বরের গঠন মডেলগুলোকে আবারও পর্যালোচনা করতে বাধ্য করছে। নতুন আবিষ্কৃত কৃষ্ণগহ্বর প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেন ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার পদার্থবিদ ডেভিড রেইটজে। নাসার ভাষায়, নাক্ষত্রিক-ভর কৃষ্ণগহ্বর হিসেবে এলবি-১ ‘অভিনব’ তবে, কৃষ্ণগহ্বর এর চেয়েও বড় হতে পারে। তবে সেগুলোর গঠন প্রণালি ভিন্ন হয়। ওই কৃষ্ণগহ্বরগুলো সাধারণত ছায়াপথের কেন্দ্রে খুঁজে পাওয়া যায়। অনেক সময় সূর্যের চেয়ে লক্ষ বা কোটি গুণও বড় হয়ে থাকে সেগুলো।

ডিসি