প্রধানমন্ত্রীকে ‘হত্যার হুমকি’ শামসুজ্জামান দুদুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আগের সংবাদ

চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ কুখ্যাত ডাকাত মানিক গ্রেপ্তার

পরের সংবাদ

খেলার মাঠ নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ সিটি মেয়র নাছির উদ্দিনের

চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ , ৯:৪৯ অপরাহ্ণ

নগরীতে খেলার মাঠের সংকট এবং খেলার মাঠ মেলাসহ নানা অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ দেয়ার ক্ষেত্রে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, নগরীতে খেলার মাঠের সংকট রয়েছে। যেসব মাঠ আছে সেগুলোকে মেলাসহ নানা অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ দিতে হয়। এমনসব জায়গা থেকে মাঠ বরাদ্দের জন্য অনুরোধ আসে, বোঝাতে পারব না। মাঠের অনুমোদন না দিলে আমি কি চেয়ারে থাকতে পারব? ইচ্ছের বিরুদ্ধে অনেক সময় মাঠ ব্যবহারের অনুমোদন দিতে হয়। মেয়র বলেন, বিগত দিনে অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে নগরবাসী কষ্ট পাচ্ছে। নগরীতে এখন নতুন করে খেলার মাঠ করার কোনো সুযোগ নেই। নগরীর বিভিন্ন স্কুলের মাঠগুলো শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য খুলে দিতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ দেয় না। স্কুলে পাঠদানের পর, ছুটির পর মাঠগুলো উন্মুক্ত করে দিতে পারে। আগামীতে এটি করার চেষ্টা করব।

নগরীর কাজীর দেউড়িতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সংলগ্ন শিশুপার্কটি নতুন করে গড়ে তোলাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, সেনাবাহিনী জায়গাটি শিশুপার্ক করার জন্য চসিককে দিয়েছিল। শিশুপার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চসিকের চুক্তিটা নবায়নযোগ্য। তাদের আধুনিক রাইডের শর্ত দিয়েছি। ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে তারা আধুনিক রাইড সংগ্রহ করছে। আগ্রাবাদ শিশুপার্ক নিয়ে মামলা চলছে। এ ছাড়া সাড়ে তিনশ’ মামলা চলছে বিভিন্ন বিষয়ে। পুরাতন নগর ভবনের কেবি আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে চসিকের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেয়র নির্বাচনী ইশতেহার মাথায় রেখে সত্যিকারের গ্রিন, ক্লিন সিটি তথা আধুনিক নগরের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন বলে জানান। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরের ১ হাজার ৩৭৫টি খোলা ডাস্টবিন থেকে ৮২৫টি অপসারণ করা হয়েছে। চসিক ৯ লাখ বিন বিতরণ করেছে। ১৯৭২ জন পরিচ্ছন্ন শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছি। ১২৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ ফুট প্রস্থ, ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত নতুন খাল খননের কাজ চলছে। ভ‚মি মালিকদের তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, নগরে গণপরিবহন সংকট কাটাতে একটি শিল্প গ্রুপের মাধ্যমে তিন রঙের ১০০ এসি বাস চালু করা হচ্ছে। আশা করি জানুয়ারিতে ৩ রুটে এসব বাস চালু হবে। স্টপেজের জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমেদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়–য়া, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসএইচ